নওগাঁ সরকারি কলেজের এক ছাত্রীকে রাস্তায় যৌন হয়রানির অভিযোগে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদ (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় হয়রানির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট নওগাঁ সরকারি কলেজের মাস্টার্সের এক ভুক্তভোগী ছাত্রী মেস থেকে টিউশনের উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি এটিম মাঠের গলি দিয়ে জনৈক ইমরুল কায়েসের বাসার সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর ভুক্তভোগী ছাত্রী নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানান। তার অভিযোগ শোনার পর পুলিশ সুপার দ্রুত অজ্ঞাতনামা আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), নওগাঁকে নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি পুলিশের একটি দল টানা পাঁচ দিন তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ক্যামেরার ডাটা বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। পরে নওগাঁ ও বগুড়ার আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদমদীঘি থানার শান্তাহার এলাকা থেকে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদ শান্তাহার জনকলোনি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা নজরুল ইসলাম এবং মা কাকলী ইসলাম। অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “সড়কে কিংবা যেকোনো স্থানে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা যৌন হয়রানি জেলা পুলিশ কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী দমন করবে।”

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁ সরকারি কলেজের এক ছাত্রীকে রাস্তায় যৌন হয়রানির অভিযোগে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদ (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় হয়রানির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট নওগাঁ সরকারি কলেজের মাস্টার্সের এক ভুক্তভোগী ছাত্রী মেস থেকে টিউশনের উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি এটিম মাঠের গলি দিয়ে জনৈক ইমরুল কায়েসের বাসার সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর ভুক্তভোগী ছাত্রী নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানান। তার অভিযোগ শোনার পর পুলিশ সুপার দ্রুত অজ্ঞাতনামা আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), নওগাঁকে নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি পুলিশের একটি দল টানা পাঁচ দিন তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ক্যামেরার ডাটা বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। পরে নওগাঁ ও বগুড়ার আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদমদীঘি থানার শান্তাহার এলাকা থেকে কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে ফুয়াদ শান্তাহার জনকলোনি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা নজরুল ইসলাম এবং মা কাকলী ইসলাম। অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার বলেন, “সড়কে কিংবা যেকোনো স্থানে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা যৌন হয়রানি জেলা পুলিশ কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী দমন করবে।”

আপনার মতামত লিখুন