রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, সরকারি একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে তেহরানে যাবেন আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্রও তাঁর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে পাকিস্তান বেশ কিছুদিন ধরে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতে, আসিম মুনিরের এই সফর সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই অংশ।
সফরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি, পাকিস্তানের শান্তি উদ্যোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাকিস্তানি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সমঝোতার পরবর্তী পরিস্থিতি এবং হুথিদের বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
আসিম মুনিরের সফরের আগে রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁর। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ফোনালাপে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা এসব পদক্ষেপকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতেই আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আবারও বেড়েছে।
নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ইরানও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোকে সম্ভাব্য মার্কিন ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’-এর আওতায় আনার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যেও চাপ তৈরি হয়েছে।
আসিম মুনিরের তেহরান সফর তাই শুধু ইরান-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কমানো, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজার বিষয়ও যুক্ত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য ডন

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, সরকারি একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে তেহরানে যাবেন আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্রও তাঁর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে পাকিস্তান বেশ কিছুদিন ধরে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতে, আসিম মুনিরের এই সফর সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই অংশ।
সফরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি, পাকিস্তানের শান্তি উদ্যোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাকিস্তানি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সমঝোতার পরবর্তী পরিস্থিতি এবং হুথিদের বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
আসিম মুনিরের সফরের আগে রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁর। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ফোনালাপে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা এসব পদক্ষেপকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতেই আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আবারও বেড়েছে।
নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ইরানও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোকে সম্ভাব্য মার্কিন ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’-এর আওতায় আনার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যেও চাপ তৈরি হয়েছে।
আসিম মুনিরের তেহরান সফর তাই শুধু ইরান-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কমানো, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজার বিষয়ও যুক্ত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য ডন

আপনার মতামত লিখুন