সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা ট্রান্সফর্মার স্থাপনের কাজ করতে গেলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ট্রান্সফর্মার বসানোর সময় আজিজুল (৩০) ও ইমন (২৫) নামে দুই ব্যক্তি কাজে বাধা দেন। এ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও দুর্ব্যবহার হয়। একপর্যায়ে ইব্রাহিম ও জাহাঙ্গীর আলম সেখানে গেলে তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংঘর্ষে মনজুরা আক্তার (৭৫), জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), ইব্রাহিম ও মদিনা আক্তার (৭১)সহ মোট সাতজন আহত হন। তাদের মধ্যে ইব্রাহিমের মাথায় এবং মদিনা আক্তারের হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে আহতদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে সোমবার মোহনগঞ্জ থানায় খোদেজা আক্তার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, ঘটনার পর গত রাতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আবারও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা ট্রান্সফর্মার স্থাপনের কাজ করতে গেলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ট্রান্সফর্মার বসানোর সময় আজিজুল (৩০) ও ইমন (২৫) নামে দুই ব্যক্তি কাজে বাধা দেন। এ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও দুর্ব্যবহার হয়। একপর্যায়ে ইব্রাহিম ও জাহাঙ্গীর আলম সেখানে গেলে তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংঘর্ষে মনজুরা আক্তার (৭৫), জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), ইব্রাহিম ও মদিনা আক্তার (৭১)সহ মোট সাতজন আহত হন। তাদের মধ্যে ইব্রাহিমের মাথায় এবং মদিনা আক্তারের হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে আহতদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে সোমবার মোহনগঞ্জ থানায় খোদেজা আক্তার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, ঘটনার পর গত রাতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আবারও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন