পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব পণ্যের প্রায় অর্ধেক দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি অংশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কেনার কথা রয়েছে। তবে বিদেশি বাজারে পণ্য সংগ্রহ বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হলে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে কেনার পরিমাণ বাড়তে পারে।
এদিকে টিসিবির পণ্যের তালিকাও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন তালিকায় হলুদ, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের মসলা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ যদি বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হয়, তাহলে বিদেশ থেকে কেনার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চলতি অর্থবছরের জন্য ক্রয় পরিকল্পনা করেছে টিসিবি। এর আওতায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ২২ কোটি লিটার ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল, ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি, ১৪ হাজার মেট্রিক টন ছোলা এবং ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খেজুর কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের কাছে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করতে টিসিবি মাসভিত্তিক চাহিদা, বরাদ্দ, গুদামের মজুত ও পাইপলাইনে থাকা সরবরাহের তথ্য নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।
মজুত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে গুদামের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিসিবির মোট ৪০টি গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি নিজস্ব এবং ৩১টি ভাড়ায় পরিচালিত। সব মিলিয়ে এসব গুদামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে নিজস্ব গুদামগুলোর ধারণক্ষমতা ১৩ হাজার ৩৭১ মেট্রিক টন এবং ভাড়ায় নেওয়া গুদামগুলোর ধারণক্ষমতা ৩৪ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন।
চলমান কার্যক্রমের জন্য টিসিবির মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান ফয়সল আজাদ। তাঁর ভাষ্য, নিত্যপণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে ক্রয় ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে, বিশেষ করে সরকারি সহায়তায় পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্যোগও রয়েছে টিসিবির। প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য কিনে কিছু পণ্য সামান্য মুনাফায় বিক্রি করার মাধ্যমে ভর্তুকির প্রয়োজন কমানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ফয়সল আজাদ বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে টিসিবিকে গড়ে তোলার কাজ চলছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্থাটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, টিসিবি বছরে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সরবরাহ করে, যা দেশের মোট বাজারের প্রায় ১৫ শতাংশ। তবে পরিবার পর্যায়ে এর কার্যকর বাজার অংশীদারত্ব আরও বেশি। ডাল ও চিনির ক্ষেত্রেও পরিবারের চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ টিসিবি সরবরাহ করে। এর ফলে এসব পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সহায়তা পাওয়া যায়।
টিসিবি তার পণ্যের পরিসরও বাড়াচ্ছে। ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আটা, বিভিন্ন ধরনের মসলা, মরিচ ও হলুদ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফয়সল আজাদ বলেন, এসব পণ্য সাধারণ বাজারদরের তুলনায় কম দামে বিক্রি করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে না।
বর্তমানে টিসিবির প্রায় ৮০ লাখ স্মার্ট কার্ড অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ লাখ কার্ড ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট সুবিধাভোগীদের আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।
স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থাকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, মৃত্যু, স্থানান্তর কিংবা অন্যান্য কারণে সুবিধাভোগীর তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হতে পারে, আবার কোনো নাম বাদ বা পরিবর্তনও হতে পারে।
টিসিবির সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করার কাজও এগিয়ে চলছে। বর্তমানে ডিলাররা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড স্ক্যান করেন। শিগগিরই বিক্রয়কেন্দ্রে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে ভোক্তারা লেনদেনের রসিদ পাবেন।
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন মোবাইলভিত্তিক ব্যবস্থাও তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্মার্ট কার্ডের তথ্য দেখতে পারবেন এবং মোবাইল আর্থিক সেবা বা নগদের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।
ফয়সল আজাদ জানান, টিসিবি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যেখানে প্রায় ২১টি ভিন্ন কর্মসূচি যুক্ত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে অন্যান্য সরকারি সংস্থাও তাদের সুবিধাভোগীকেন্দ্রিক কর্মসূচি এই প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করতে পারবে।
নিজস্ব গুদামের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে টিসিবির। সংস্থাটি প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত মজুত সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে ভাড়ার গুদামের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, পণ্য কেনার পরিমাণ ও বাজারে হস্তক্ষেপের পরিধি বাড়াতে হলে লজিস্টিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, পণ্যের মান ঠিক রেখে সাশ্রয়ী মূল্যে তা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সরাসরি ভোক্তার চাহিদার ভিত্তিতে পণ্যের তালিকা সম্প্রসারণ করাই সংস্থাটির লক্ষ্য।
তিনি জানান, নতুন কোনো পণ্য বাজারজাত করার আগে টিসিবি জরিপ করে। ভোক্তারা কোন পণ্য চান, তা জানার পর সেটি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংস্থাটির উদ্দেশ্য মানুষের জীবনকে সহজ করা।
নতুন তালিকায় যুক্ত হওয়া পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে পণ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন টিসিবির চেয়ারম্যান।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব পণ্যের প্রায় অর্ধেক দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি অংশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কেনার কথা রয়েছে। তবে বিদেশি বাজারে পণ্য সংগ্রহ বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হলে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে কেনার পরিমাণ বাড়তে পারে।
এদিকে টিসিবির পণ্যের তালিকাও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন তালিকায় হলুদ, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের মসলা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ যদি বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হয়, তাহলে বিদেশ থেকে কেনার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চলতি অর্থবছরের জন্য ক্রয় পরিকল্পনা করেছে টিসিবি। এর আওতায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ২২ কোটি লিটার ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল, ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি, ১৪ হাজার মেট্রিক টন ছোলা এবং ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খেজুর কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের কাছে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করতে টিসিবি মাসভিত্তিক চাহিদা, বরাদ্দ, গুদামের মজুত ও পাইপলাইনে থাকা সরবরাহের তথ্য নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।
মজুত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে গুদামের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিসিবির মোট ৪০টি গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি নিজস্ব এবং ৩১টি ভাড়ায় পরিচালিত। সব মিলিয়ে এসব গুদামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে নিজস্ব গুদামগুলোর ধারণক্ষমতা ১৩ হাজার ৩৭১ মেট্রিক টন এবং ভাড়ায় নেওয়া গুদামগুলোর ধারণক্ষমতা ৩৪ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন।
চলমান কার্যক্রমের জন্য টিসিবির মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান ফয়সল আজাদ। তাঁর ভাষ্য, নিত্যপণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে ক্রয় ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে, বিশেষ করে সরকারি সহায়তায় পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্যোগও রয়েছে টিসিবির। প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য কিনে কিছু পণ্য সামান্য মুনাফায় বিক্রি করার মাধ্যমে ভর্তুকির প্রয়োজন কমানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ফয়সল আজাদ বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে টিসিবিকে গড়ে তোলার কাজ চলছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্থাটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, টিসিবি বছরে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সরবরাহ করে, যা দেশের মোট বাজারের প্রায় ১৫ শতাংশ। তবে পরিবার পর্যায়ে এর কার্যকর বাজার অংশীদারত্ব আরও বেশি। ডাল ও চিনির ক্ষেত্রেও পরিবারের চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ টিসিবি সরবরাহ করে। এর ফলে এসব পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সহায়তা পাওয়া যায়।
টিসিবি তার পণ্যের পরিসরও বাড়াচ্ছে। ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আটা, বিভিন্ন ধরনের মসলা, মরিচ ও হলুদ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফয়সল আজাদ বলেন, এসব পণ্য সাধারণ বাজারদরের তুলনায় কম দামে বিক্রি করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে না।
বর্তমানে টিসিবির প্রায় ৮০ লাখ স্মার্ট কার্ড অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ লাখ কার্ড ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট সুবিধাভোগীদের আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।
স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থাকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, মৃত্যু, স্থানান্তর কিংবা অন্যান্য কারণে সুবিধাভোগীর তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হতে পারে, আবার কোনো নাম বাদ বা পরিবর্তনও হতে পারে।
টিসিবির সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করার কাজও এগিয়ে চলছে। বর্তমানে ডিলাররা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড স্ক্যান করেন। শিগগিরই বিক্রয়কেন্দ্রে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে ভোক্তারা লেনদেনের রসিদ পাবেন।
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন মোবাইলভিত্তিক ব্যবস্থাও তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্মার্ট কার্ডের তথ্য দেখতে পারবেন এবং মোবাইল আর্থিক সেবা বা নগদের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।
ফয়সল আজাদ জানান, টিসিবি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যেখানে প্রায় ২১টি ভিন্ন কর্মসূচি যুক্ত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে অন্যান্য সরকারি সংস্থাও তাদের সুবিধাভোগীকেন্দ্রিক কর্মসূচি এই প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করতে পারবে।
নিজস্ব গুদামের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে টিসিবির। সংস্থাটি প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত মজুত সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে ভাড়ার গুদামের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, পণ্য কেনার পরিমাণ ও বাজারে হস্তক্ষেপের পরিধি বাড়াতে হলে লজিস্টিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, পণ্যের মান ঠিক রেখে সাশ্রয়ী মূল্যে তা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সরাসরি ভোক্তার চাহিদার ভিত্তিতে পণ্যের তালিকা সম্প্রসারণ করাই সংস্থাটির লক্ষ্য।
তিনি জানান, নতুন কোনো পণ্য বাজারজাত করার আগে টিসিবি জরিপ করে। ভোক্তারা কোন পণ্য চান, তা জানার পর সেটি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংস্থাটির উদ্দেশ্য মানুষের জীবনকে সহজ করা।
নতুন তালিকায় যুক্ত হওয়া পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে পণ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন টিসিবির চেয়ারম্যান।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন