তিনি বলেন, মিরাজ শেখসহ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ঘটনার সত্য তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি গুমের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গুম প্রতিরোধ আইনে অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের স্পষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি ভয়াবহ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের বহু নাগরিক। তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অসংখ্য মানুষকে আটকে রেখে যে অমানবিক ও পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা বিশ্ব মানবতাকে লজ্জিত করেছে।
তিনি বলেন, গুম হওয়া স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘশ্বাস এবং বছরের পর বছর ধরে চলা অপেক্ষার বেদনার মধ্য দিয়েই ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক ও রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ এসেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিপ্লবের পরও বাংলাদেশে অনেক পরিবার তাদের নিখোঁজ স্বজনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এখনো গুমের শিকার বহু মানুষের কোনো সন্ধান মেলেনি। মোংলার কারাগারে মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগও গভীর উদ্বেগের বিষয়।
তিনি বলেন, অতীতে গুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হলেও বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়ার পরিবর্তে দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, প্রতিটি গুমের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।
দেশে ভবিষ্যতে যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, গুমের শিকার প্রতিটি ব্যক্তির পরিবারের কান্নার জবাব দিতে হবে। সত্য উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, মিরাজ শেখসহ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ঘটনার সত্য তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি গুমের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গুম প্রতিরোধ আইনে অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের স্পষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি ভয়াবহ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের বহু নাগরিক। তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অসংখ্য মানুষকে আটকে রেখে যে অমানবিক ও পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা বিশ্ব মানবতাকে লজ্জিত করেছে।
তিনি বলেন, গুম হওয়া স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘশ্বাস এবং বছরের পর বছর ধরে চলা অপেক্ষার বেদনার মধ্য দিয়েই ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক ও রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ এসেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিপ্লবের পরও বাংলাদেশে অনেক পরিবার তাদের নিখোঁজ স্বজনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এখনো গুমের শিকার বহু মানুষের কোনো সন্ধান মেলেনি। মোংলার কারাগারে মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগও গভীর উদ্বেগের বিষয়।
তিনি বলেন, অতীতে গুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হলেও বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়ার পরিবর্তে দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, প্রতিটি গুমের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।
দেশে ভবিষ্যতে যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, গুমের শিকার প্রতিটি ব্যক্তির পরিবারের কান্নার জবাব দিতে হবে। সত্য উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

আপনার মতামত লিখুন