সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা হলেন ফরিদপুর গ্রামের হারাম মণ্ডলের ছেলে বিপ্লব হোসেন এবং জেহালা ইউনিয়নের গড়চাপড়া গ্রামের মাঠপাড়ার বদরুদ্দিনের ছেলে শুকুর আলী।
ভুক্তভোগী বিপ্লব হোসেন জানান, জমি বন্ধক রাখার বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি গড়চাপড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে ফরিদপুর-গড়চাপড়া মাঠের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ছয়জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পথ আটকে দেন।
অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, প্রায় ২ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে কাছের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি গাছের সঙ্গে আটকে রাখা হয়। সেখানে একজন ব্যক্তি পাহারায় ছিল বলে জানান তিনি।
শুকুর আলী জানান, পারকুলা এলাকায় একটি মিলাদ মাহফিল শেষ করে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি দুই সন্তান সজিব ও রাজীবকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘোড়ামারা ব্রিজের কাছে পৌঁছানোর পর কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র হাতে তাদের পথরোধ করে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার মোটরসাইকেল, সঙ্গে থাকা ৫০ টাকা এবং মিলাদ মাহফিলের তিন প্যাকেট খিচুড়ি নিয়ে যায় তারা।
শুকুর আলী বলেন, এ সময় তার দুই সন্তান কান্নাকাটি শুরু করলে তাদের মারধর করা হয়। এরপর তাকে দুই সন্তানসহ একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।
শুকুর আলী জানান, প্রায় ১০ মিনিট পর তাদের পাহারায় থাকা ব্যক্তি কিছুটা দূরে সরে গেলে তিনি কৌশলে হাত-পায়ের বাঁধন খুলে ফেলেন। এরপর দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানান।
অন্যদিকে বিপ্লব হোসেনও পরে কৌশলে বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা হলেন ফরিদপুর গ্রামের হারাম মণ্ডলের ছেলে বিপ্লব হোসেন এবং জেহালা ইউনিয়নের গড়চাপড়া গ্রামের মাঠপাড়ার বদরুদ্দিনের ছেলে শুকুর আলী।
ভুক্তভোগী বিপ্লব হোসেন জানান, জমি বন্ধক রাখার বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি গড়চাপড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে ফরিদপুর-গড়চাপড়া মাঠের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ছয়জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পথ আটকে দেন।
অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, প্রায় ২ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে কাছের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি গাছের সঙ্গে আটকে রাখা হয়। সেখানে একজন ব্যক্তি পাহারায় ছিল বলে জানান তিনি।
শুকুর আলী জানান, পারকুলা এলাকায় একটি মিলাদ মাহফিল শেষ করে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি দুই সন্তান সজিব ও রাজীবকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘোড়ামারা ব্রিজের কাছে পৌঁছানোর পর কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র হাতে তাদের পথরোধ করে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার মোটরসাইকেল, সঙ্গে থাকা ৫০ টাকা এবং মিলাদ মাহফিলের তিন প্যাকেট খিচুড়ি নিয়ে যায় তারা।
শুকুর আলী বলেন, এ সময় তার দুই সন্তান কান্নাকাটি শুরু করলে তাদের মারধর করা হয়। এরপর তাকে দুই সন্তানসহ একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।
শুকুর আলী জানান, প্রায় ১০ মিনিট পর তাদের পাহারায় থাকা ব্যক্তি কিছুটা দূরে সরে গেলে তিনি কৌশলে হাত-পায়ের বাঁধন খুলে ফেলেন। এরপর দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানান।
অন্যদিকে বিপ্লব হোসেনও পরে কৌশলে বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন