এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরে মাদককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গুলিতে নিহত হন শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল। তার মৃত্যুর পর মরদেহের শেষকৃত্য কীভাবে হবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। নিহতের সনাতন ধর্মাবলম্বী বাবা হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ছেলের সৎকারের দাবি জানান। অপরদিকে বিল্লালের স্ত্রী, মা, ভাই ও বোন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে তার মরদেহ ইসলামী নিয়মে দাফনের দাবি করেন।
এ পরিস্থিতিতে বিল্লালের স্ত্রী জ্যোতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মুহাম্মদ ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ শুনানি শেষে বিল্লালের মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তরের পাশাপাশি ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দেন।
২০০৩ সালের ২৬ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সম্পাদিত এফিডেভিট অনুযায়ী শুভ, তার মা পার্বতী রাণী দাস এবং ভাই সজীব চন্দ্র দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরের পর শুভর নাম রাখা হয় মো. বিল্লাল। তিনি মাদ্রাসায় পড়াশোনাও করেছেন।
পরবর্তীতে রূপগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে জ্যোতিকে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে করেন বিল্লাল। তাদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
আইনি জটিলতার কারণে এতদিন বিল্লালের মরদেহ পুলিশের তত্ত্বাবধানে হিমঘরে রাখা হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর মরদেহটি তার স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশি পাহারায় জানাজা সম্পন্ন করে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ইসলামী রীতিতে বিল্লালকে দাফন করা হয়।
সূত্র: যমুনা টিভি

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরে মাদককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গুলিতে নিহত হন শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল। তার মৃত্যুর পর মরদেহের শেষকৃত্য কীভাবে হবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। নিহতের সনাতন ধর্মাবলম্বী বাবা হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ছেলের সৎকারের দাবি জানান। অপরদিকে বিল্লালের স্ত্রী, মা, ভাই ও বোন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে তার মরদেহ ইসলামী নিয়মে দাফনের দাবি করেন।
এ পরিস্থিতিতে বিল্লালের স্ত্রী জ্যোতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মুহাম্মদ ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ শুনানি শেষে বিল্লালের মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তরের পাশাপাশি ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দেন।
২০০৩ সালের ২৬ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সম্পাদিত এফিডেভিট অনুযায়ী শুভ, তার মা পার্বতী রাণী দাস এবং ভাই সজীব চন্দ্র দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরের পর শুভর নাম রাখা হয় মো. বিল্লাল। তিনি মাদ্রাসায় পড়াশোনাও করেছেন।
পরবর্তীতে রূপগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে জ্যোতিকে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে করেন বিল্লাল। তাদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
আইনি জটিলতার কারণে এতদিন বিল্লালের মরদেহ পুলিশের তত্ত্বাবধানে হিমঘরে রাখা হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর মরদেহটি তার স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশি পাহারায় জানাজা সম্পন্ন করে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ইসলামী রীতিতে বিল্লালকে দাফন করা হয়।
সূত্র: যমুনা টিভি

আপনার মতামত লিখুন