দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আলোচনা ও নানা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জমকালো গানের কনসার্ট।
সোমবার দুপুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কলেজের মূল ক্যাম্পাসসংলগ্ন নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় নবীনবরণ পর্ব। এতে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি ছিল বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা।
পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট। মঞ্চে জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘হাইওয়ে’ সংগীত পরিবেশন করে। ব্যান্ডটির পরিবেশনার পাশাপাশি শিল্পী হাসান ইথারের গানে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী।
প্রায় চার বছর পর নবীনবরণ অনুষ্ঠান হওয়ায় সকাল থেকেই কলেজজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। নতুন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পুরোনো শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে নানা আলোচনা, আপত্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা আনন্দিত। দীর্ঘ বিরতির পর এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে বলেও জানান তারা।
অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সংসদ সদস্য, কলেজ কর্তৃপক্ষ ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
দিনভর নবীনদের উচ্ছ্বাস, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আর সন্ধ্যার কনসার্ট—সব মিলিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে তৈরি হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবের আবহ।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আলোচনা ও নানা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জমকালো গানের কনসার্ট।
সোমবার দুপুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কলেজের মূল ক্যাম্পাসসংলগ্ন নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় নবীনবরণ পর্ব। এতে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি ছিল বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা।
পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট। মঞ্চে জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘হাইওয়ে’ সংগীত পরিবেশন করে। ব্যান্ডটির পরিবেশনার পাশাপাশি শিল্পী হাসান ইথারের গানে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী।
প্রায় চার বছর পর নবীনবরণ অনুষ্ঠান হওয়ায় সকাল থেকেই কলেজজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। নতুন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পুরোনো শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে নানা আলোচনা, আপত্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা আনন্দিত। দীর্ঘ বিরতির পর এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে বলেও জানান তারা।
অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সংসদ সদস্য, কলেজ কর্তৃপক্ষ ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
দিনভর নবীনদের উচ্ছ্বাস, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আর সন্ধ্যার কনসার্ট—সব মিলিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে তৈরি হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবের আবহ।

আপনার মতামত লিখুন