জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকার বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসংগতির বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করেছে বলে তাদের অভিযোগ।
বক্তারা আরও বলেন, মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে এবং সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এরপর ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানে রাস্তার অংশ পৃথকভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও তাকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জি.এম. ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু, সাংবাদিক মারুফ হাসান,দৈনিক ডেসটিনি আবু তাহের, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকার বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসংগতির বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করেছে বলে তাদের অভিযোগ।
বক্তারা আরও বলেন, মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে এবং সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এরপর ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানে রাস্তার অংশ পৃথকভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও তাকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জি.এম. ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু, সাংবাদিক মারুফ হাসান,দৈনিক ডেসটিনি আবু তাহের, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন