শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের কথা বলে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও তাদের ভেরিফিকেশনের নামে দীর্ঘ আট মাস ধরে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাদের নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, উদ্বেগের বিষয় হলো, বাদ পড়া প্রার্থীদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য নেই। অতীতেও তাদের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপরও স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট ও জবাবদিহিমূলক কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক মেধা, যোগ্যতা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে সেটি শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়; বরং রাষ্ট্রের নিয়োগ ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত কোনো অভিযোগ নেই, তাদের প্রত্যেকের নিয়োগ দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড কী ছিল, তা জনসমক্ষে পরিষ্কার করতে হবে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের কথা বলে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও তাদের ভেরিফিকেশনের নামে দীর্ঘ আট মাস ধরে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাদের নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, উদ্বেগের বিষয় হলো, বাদ পড়া প্রার্থীদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য নেই। অতীতেও তাদের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপরও স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট ও জবাবদিহিমূলক কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক মেধা, যোগ্যতা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে সেটি শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়; বরং রাষ্ট্রের নিয়োগ ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত কোনো অভিযোগ নেই, তাদের প্রত্যেকের নিয়োগ দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড কী ছিল, তা জনসমক্ষে পরিষ্কার করতে হবে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন