পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বরে দুর্বৃত্তরা চিকিৎসাকেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এর পরপরই জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে গোলাগুলি, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
ড. রেজাউল করিম বলেন, এসব ঘটনার প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে দেখতে তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মো. সেলিম উদ্দিন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করলেও সেখান থেকেই ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নিন্দা জানিয়েছেন।
মিরপুরের চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় একজন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেও দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ড. রেজাউল করিম বলেন, অপরাধী যে-ই হোক কিংবা তার রাজনৈতিক পরিচয় যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়; বরং অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে। জনগণের অধিকার ও ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই দলটি কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত, টকশো ব্যক্তিত্ব ড. ফয়জুল হক, মহানগরী যুব বিভাগের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা পারভেজ ফয়সালসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বরে দুর্বৃত্তরা চিকিৎসাকেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এর পরপরই জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে গোলাগুলি, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
ড. রেজাউল করিম বলেন, এসব ঘটনার প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে দেখতে তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মো. সেলিম উদ্দিন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করলেও সেখান থেকেই ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নিন্দা জানিয়েছেন।
মিরপুরের চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় একজন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেও দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ড. রেজাউল করিম বলেন, অপরাধী যে-ই হোক কিংবা তার রাজনৈতিক পরিচয় যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়; বরং অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে। জনগণের অধিকার ও ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই দলটি কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত, টকশো ব্যক্তিত্ব ড. ফয়জুল হক, মহানগরী যুব বিভাগের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা পারভেজ ফয়সালসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন