সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নজিরবিহীন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক কয়েকটি সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে জামায়াত জানায়, মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা মালামাল লুট করা হয়েছে। একইভাবে ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জমি দখলের মহড়া, রাজশাহীতে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা, নয়াপল্টনের একটি হাসপাতালে গভীর রাতে হামলা এবং কুষ্টিয়ায় ২১টি বাড়িতে ধারাবাহিক লুটপাটের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে জানায় দলটি। এসব সহিংস ঘটনার কারণে সারা দেশের মানুষ গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে দাবি জামায়াতের।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, সারের ডিলারশিপসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলছে। তবে এসব ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা না থাকায় অনেক সময় তাদের নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামী দ্রুত সব ধরনের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সব হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নজিরবিহীন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক কয়েকটি সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে জামায়াত জানায়, মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা মালামাল লুট করা হয়েছে। একইভাবে ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জমি দখলের মহড়া, রাজশাহীতে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা, নয়াপল্টনের একটি হাসপাতালে গভীর রাতে হামলা এবং কুষ্টিয়ায় ২১টি বাড়িতে ধারাবাহিক লুটপাটের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে জানায় দলটি। এসব সহিংস ঘটনার কারণে সারা দেশের মানুষ গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে দাবি জামায়াতের।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, সারের ডিলারশিপসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলছে। তবে এসব ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা না থাকায় অনেক সময় তাদের নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামী দ্রুত সব ধরনের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সব হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন