আরাগচির মতে, সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কখন যুদ্ধ থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় বসা হবে, সেই উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা। তিনি বলেন, যুদ্ধের সমাপ্তি হয় হয় সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে, নয়তো আলোচনার মাধ্যমে। তবে আলোচনায় বসার সঠিক সময় আসে তখনই, যখন সামরিক ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও কৌশলগত সাফল্য অর্জিত হয়।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জীবন এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। তাই প্রতিটি সিদ্ধান্ত পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ও হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতেই গ্রহণ করা প্রয়োজন।
আরাগচির ভাষ্য, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে তা দেশের জন্য কতটা উপকারী হবে এবং এর বিপরীতে মানবিক ও জাতীয় ক্ষতির পরিমাণ কতটা বাড়তে পারে—এই দুটি বিষয় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সবসময় বিবেচনায় রাখতে হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও চলমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে এই সংঘাত রাষ্ট্রের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগও তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
আরাগচির মতে, সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কখন যুদ্ধ থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় বসা হবে, সেই উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা। তিনি বলেন, যুদ্ধের সমাপ্তি হয় হয় সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে, নয়তো আলোচনার মাধ্যমে। তবে আলোচনায় বসার সঠিক সময় আসে তখনই, যখন সামরিক ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও কৌশলগত সাফল্য অর্জিত হয়।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জীবন এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। তাই প্রতিটি সিদ্ধান্ত পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ও হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতেই গ্রহণ করা প্রয়োজন।
আরাগচির ভাষ্য, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে তা দেশের জন্য কতটা উপকারী হবে এবং এর বিপরীতে মানবিক ও জাতীয় ক্ষতির পরিমাণ কতটা বাড়তে পারে—এই দুটি বিষয় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সবসময় বিবেচনায় রাখতে হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও চলমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে এই সংঘাত রাষ্ট্রের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগও তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন