বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাজহারুল ইসলাম।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান।
এদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক হয়েছেন। অন্য আসামিরা কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) কাছে ছিল। চার দিন পর তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় একই বছরের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটি র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তবে টাস্কফোর্স গঠনের পরও এখন পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাজহারুল ইসলাম।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান।
এদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক হয়েছেন। অন্য আসামিরা কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) কাছে ছিল। চার দিন পর তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় একই বছরের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটি র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তবে টাস্কফোর্স গঠনের পরও এখন পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন