গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মে অপচিকিৎসা দেওয়া এবং অননুমোদিত সাপ্লিমেন্টের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামানকে।
কমিটির সদস্যরা হলেন—শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এ হালিম খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুরজাহান বানু এবং বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আজিমুন্নেছা শিউলী।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. মাহমুদুর রহমানকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।
চিঠিতে তদন্ত কমিটিকে অভিযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মে অপচিকিৎসা দেওয়া এবং অননুমোদিত সাপ্লিমেন্টের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামানকে।
কমিটির সদস্যরা হলেন—শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এ হালিম খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুরজাহান বানু এবং বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আজিমুন্নেছা শিউলী।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. মাহমুদুর রহমানকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।
চিঠিতে তদন্ত কমিটিকে অভিযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

আপনার মতামত লিখুন