ইরানের রাজধানী তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ারে স্থাপিত একটি নতুন বিলবোর্ড আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিলবোর্ডটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যদের ছবির নিচে মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একাধিক কফিনের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘রক্তের বদলে রক্ত’, যা ট্রাম্পের পরিবারের প্রতি হত্যার হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিলবোর্ডের পটভূমিতে হোয়াইট হাউসের আদলে একটি ভবনের ছবিও রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই এ ধরনের বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারে স্থাপিত আরেকটি বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে একটি খোলা কালো কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়েছিল। সেখানে ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা ছিল, ‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’।
নতুন বিলবোর্ডে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং সন্তান ইভানকা ট্রাম্প, ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক ট্রাম্প, টিফানি ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্পের ছবিও স্থান পেয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিলবোর্ডটি স্থাপন করা হয়েছে। ওই হামলায় খামেনির পাশাপাশি তার মেয়ে, জামাতা, পুত্রবধূ এবং এক শিশু নাতনিও নিহত হন।
তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ার দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী রাজনৈতিক বার্তা প্রচারের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রাতের বেলায় সেখানে সরকারপন্থী সমর্থকদের সমাবেশ এবং ফিলিস্তিন ও হিজবুল্লাহর পতাকা প্রদর্শনের ঘটনাও নিয়মিত দেখা যায়।
তেহরানের ভালিআসর স্কয়ারের বৃহৎ দেয়ালচিত্রগুলোর নকশা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে ‘আওজ আর্টস অ্যান্ড মিডিয়া অর্গানাইজেশন’-এর সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। এসব দেয়ালচিত্রে প্রায়ই ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের হুমকিমূলক বার্তার ব্যবহার আরও বেড়েছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হত্যাচেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানাবে। অন্যদিকে ইরানের সরকারি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারের কথা বারবার তুলে ধরেছে। এ বিষয়ে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এক বক্তব্যে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ‘শান্তিতে জীবন শেষ করতে পারবে না’।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ারে স্থাপিত একটি নতুন বিলবোর্ড আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিলবোর্ডটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যদের ছবির নিচে মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একাধিক কফিনের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘রক্তের বদলে রক্ত’, যা ট্রাম্পের পরিবারের প্রতি হত্যার হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিলবোর্ডের পটভূমিতে হোয়াইট হাউসের আদলে একটি ভবনের ছবিও রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই এ ধরনের বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারে স্থাপিত আরেকটি বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে একটি খোলা কালো কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়েছিল। সেখানে ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা ছিল, ‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’।
নতুন বিলবোর্ডে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং সন্তান ইভানকা ট্রাম্প, ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক ট্রাম্প, টিফানি ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্পের ছবিও স্থান পেয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিলবোর্ডটি স্থাপন করা হয়েছে। ওই হামলায় খামেনির পাশাপাশি তার মেয়ে, জামাতা, পুত্রবধূ এবং এক শিশু নাতনিও নিহত হন।
তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ার দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী রাজনৈতিক বার্তা প্রচারের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রাতের বেলায় সেখানে সরকারপন্থী সমর্থকদের সমাবেশ এবং ফিলিস্তিন ও হিজবুল্লাহর পতাকা প্রদর্শনের ঘটনাও নিয়মিত দেখা যায়।
তেহরানের ভালিআসর স্কয়ারের বৃহৎ দেয়ালচিত্রগুলোর নকশা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে ‘আওজ আর্টস অ্যান্ড মিডিয়া অর্গানাইজেশন’-এর সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। এসব দেয়ালচিত্রে প্রায়ই ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের হুমকিমূলক বার্তার ব্যবহার আরও বেড়েছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হত্যাচেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানাবে। অন্যদিকে ইরানের সরকারি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারের কথা বারবার তুলে ধরেছে। এ বিষয়ে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এক বক্তব্যে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ‘শান্তিতে জীবন শেষ করতে পারবে না’।

আপনার মতামত লিখুন