প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদ ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।
ভারতের লোকসভায় সম্প্রতি পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল এবং তরুণদের উদ্দেশে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওবার্তার সমালোচনা করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস মামলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টের প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। তার দাবি, বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আন্তরিক না হলে এমন আইনের কার্যকারিতা থাকে না।
তিনি আরও বলেন, গত ২০ জুলাই নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সিজেপির পদযাত্রার পর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন চালানো হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে এফআইআর প্রত্যাহারের সরকারি আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করা হলেও, সিজেপির অভিযোগ—সরকার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি অব্যাহত রেখেছে।
অভিজিৎ দীপক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার না হলে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর পরিবারের অন্তত চারটি ভোট রয়েছে, তাই শিক্ষার্থীরা ব্যালটের মাধ্যমেই এর জবাব দেবে।
এছাড়া বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত জেন-জি প্রজন্মকে কটাক্ষ করলেও, তাকে ‘পার্ট-টাইম’ রাজনীতিক উল্লেখ করে তার মন্তব্যের জবাব দেওয়াকে অপ্রয়োজনীয় বলে এড়িয়ে যান অভিজিৎ দীপক।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদ ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।
ভারতের লোকসভায় সম্প্রতি পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল এবং তরুণদের উদ্দেশে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওবার্তার সমালোচনা করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস মামলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টের প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। তার দাবি, বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আন্তরিক না হলে এমন আইনের কার্যকারিতা থাকে না।
তিনি আরও বলেন, গত ২০ জুলাই নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সিজেপির পদযাত্রার পর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন চালানো হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে এফআইআর প্রত্যাহারের সরকারি আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করা হলেও, সিজেপির অভিযোগ—সরকার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি অব্যাহত রেখেছে।
অভিজিৎ দীপক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার না হলে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর পরিবারের অন্তত চারটি ভোট রয়েছে, তাই শিক্ষার্থীরা ব্যালটের মাধ্যমেই এর জবাব দেবে।
এছাড়া বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত জেন-জি প্রজন্মকে কটাক্ষ করলেও, তাকে ‘পার্ট-টাইম’ রাজনীতিক উল্লেখ করে তার মন্তব্যের জবাব দেওয়াকে অপ্রয়োজনীয় বলে এড়িয়ে যান অভিজিৎ দীপক।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

আপনার মতামত লিখুন