সরকারের উদ্যোগে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলেও খুলনার পাইকগাছায় তালতলা-নাছিরপুর খাল এখনো দখলমুক্ত হয়নি। বরং উন্মুক্ত ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই অসাধু চক্রের দখলে চলে গেছে খালটির বিভিন্ন অংশ। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি, নেট ও কাটিজাল পেতে খালের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কপিলমুনি ইউনিয়নের তালতলা-নাছিরপুর খালের কাবলে দোয়া এলাকা থেকে কপিলমুনি কলেজ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এসব অবৈধ জালের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি খালের পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পলি জমে ভরাট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকার সাধারণ মানুষের জন্য খালটি উন্মুক্ত করলেও কিছু ব্যক্তি সেখানে অঘোষিত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। সাধারণ মানুষ মাছ ধরতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রতিবাদ করলে হুমকি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
রেজাকপুর এলাকার বাসিন্দা জামাল গাজী বলেন, “সরকার খালটি সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি তা দখল করে রেখেছে। আমরা খালে নামতে গেলেই তারা বাধা দেয় এবং ভয়ভীতি দেখায়।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ করে তালতলা-নাছিরপুর খালটি প্রকৃত অর্থে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। পাশাপাশি দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সরকারের উদ্যোগে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলেও খুলনার পাইকগাছায় তালতলা-নাছিরপুর খাল এখনো দখলমুক্ত হয়নি। বরং উন্মুক্ত ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই অসাধু চক্রের দখলে চলে গেছে খালটির বিভিন্ন অংশ। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি, নেট ও কাটিজাল পেতে খালের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কপিলমুনি ইউনিয়নের তালতলা-নাছিরপুর খালের কাবলে দোয়া এলাকা থেকে কপিলমুনি কলেজ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এসব অবৈধ জালের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি খালের পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পলি জমে ভরাট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকার সাধারণ মানুষের জন্য খালটি উন্মুক্ত করলেও কিছু ব্যক্তি সেখানে অঘোষিত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। সাধারণ মানুষ মাছ ধরতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রতিবাদ করলে হুমকি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
রেজাকপুর এলাকার বাসিন্দা জামাল গাজী বলেন, “সরকার খালটি সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি তা দখল করে রেখেছে। আমরা খালে নামতে গেলেই তারা বাধা দেয় এবং ভয়ভীতি দেখায়।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ করে তালতলা-নাছিরপুর খালটি প্রকৃত অর্থে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। পাশাপাশি দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন