বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ডিসি রোড এলাকা থেকে রাবার শ্রমিক বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরা (৪২), পিতা- বিশ্ব ত্রিপুরা অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২ আগস্ট ২০২৬ইং রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তার কোনো খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
অপহৃতের স্ত্রী হামতি ত্রিপুরা (৩৫) লামা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি ও তার স্বামী উভয়েই হাশেম কোম্পানির রাবার বাগানে (বর্তমানে রুমথুই স্রো-এর নিকট ভাড়াকৃত) রাবার শ্রমিক/টেপার হিসেবে কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে ০২/০৮/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরা গজালিয়া ডিসি রোড এলাকার শান্তর চা দোকানে বসে চা পান ও আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় একটি চাঁদের গাড়িতে করে আসা অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত ১২ থেকে ১৩ জনের অজ্ঞাত পাহাড়ী সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই সময় রুবেল নামে আরও একজনকে গাড়িতে তোলা হলেও কিছু দূর যাওয়ার পর তাকে ফেলে দেওয়া হয়। তবে বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীর সকলে সবুজ বা ফ্যাকাশে রঙের পোশাক পরা ছিল। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই।
অপহৃতের বড় ভাই গঙ্গা চন্দ্র ত্রিপুরা সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, "আমার ভাই একজন নিরীহ রাবার শ্রমিক। তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তাকে দ্রুত জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।"
অপহৃতের স্ত্রী হামতি ত্রিপুরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমি আমার স্বামীকে জীবিত ফেরত চাই। তিনি আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন জানাচ্ছি।"
এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, "অপহরণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অপহৃত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধারে লামা থানা কাজ করছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।"
ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অপহৃত শ্রমিককে দ্রুত উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ডিসি রোড এলাকা থেকে রাবার শ্রমিক বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরা (৪২), পিতা- বিশ্ব ত্রিপুরা অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২ আগস্ট ২০২৬ইং রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তার কোনো খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
অপহৃতের স্ত্রী হামতি ত্রিপুরা (৩৫) লামা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি ও তার স্বামী উভয়েই হাশেম কোম্পানির রাবার বাগানে (বর্তমানে রুমথুই স্রো-এর নিকট ভাড়াকৃত) রাবার শ্রমিক/টেপার হিসেবে কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে ০২/০৮/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরা গজালিয়া ডিসি রোড এলাকার শান্তর চা দোকানে বসে চা পান ও আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় একটি চাঁদের গাড়িতে করে আসা অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত ১২ থেকে ১৩ জনের অজ্ঞাত পাহাড়ী সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই সময় রুবেল নামে আরও একজনকে গাড়িতে তোলা হলেও কিছু দূর যাওয়ার পর তাকে ফেলে দেওয়া হয়। তবে বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীর সকলে সবুজ বা ফ্যাকাশে রঙের পোশাক পরা ছিল। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই।
অপহৃতের বড় ভাই গঙ্গা চন্দ্র ত্রিপুরা সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, "আমার ভাই একজন নিরীহ রাবার শ্রমিক। তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তাকে দ্রুত জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।"
অপহৃতের স্ত্রী হামতি ত্রিপুরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমি আমার স্বামীকে জীবিত ফেরত চাই। তিনি আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন জানাচ্ছি।"
এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, "অপহরণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অপহৃত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধারে লামা থানা কাজ করছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।"
ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অপহৃত শ্রমিককে দ্রুত উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন