আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) থেকে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে ১৪ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবদ্ধভাবে (গণধর্ষণ) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর মূল অভিযুক্ত সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের জয় (২৫) কে থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২২ জুলাই) পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার কোড়ামারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী স্থানীয় ইউসুফেরবাগ মাদ্রাসার চতুর্থ জামাতের (শ্রেণির) শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত জয় প্রাণ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) হিসেবে বিভিন্ন হাটবাজারে মুদি দোকানে পণ্য সরবরাহ করতেন। সেই সুবাদে ভুক্তভোগী ছাত্রীদের বাড়ির মুদি দোকান থেকে জয়ের সঙ্গে ওই মাদ্রাসাছাত্রীর পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই জয় ওই ছাত্রীকে কৌশলে কাশিয়ানী উপজেলার কোড়ামারি গ্রামের সাজ্জাদ আলমের চাচাতো বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জয় ও প্রাণ কোম্পানির সহকর্মী দুই বন্ধু সহ ৩ জন মিলে ওই ছাত্রীকে টানা ছয় দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। দীর্ঘ ছয় দিন খোঁজ না পাওয়ার পর গত ২৮ জুলাই পরিবারের লোকজন কাশিয়ানী থেকে তাকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গায় নিয়ে আসে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আজ সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারের লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা মূল অভিযুক্ত জয়কে আটক করে। পরে তাকে গণপিটুনির হাত থেকে রক্ষা করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
বর্তমানে ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীকে তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে এবং স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য:
প্রধান অভিযুক্ত জয় এর বাড়ি পাশ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা গ্রামের দিপক কুন্ডুর ছেলে বলে জানা যায়।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) থেকে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে ১৪ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবদ্ধভাবে (গণধর্ষণ) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর মূল অভিযুক্ত সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের জয় (২৫) কে থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২২ জুলাই) পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার কোড়ামারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী স্থানীয় ইউসুফেরবাগ মাদ্রাসার চতুর্থ জামাতের (শ্রেণির) শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত জয় প্রাণ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) হিসেবে বিভিন্ন হাটবাজারে মুদি দোকানে পণ্য সরবরাহ করতেন। সেই সুবাদে ভুক্তভোগী ছাত্রীদের বাড়ির মুদি দোকান থেকে জয়ের সঙ্গে ওই মাদ্রাসাছাত্রীর পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই জয় ওই ছাত্রীকে কৌশলে কাশিয়ানী উপজেলার কোড়ামারি গ্রামের সাজ্জাদ আলমের চাচাতো বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জয় ও প্রাণ কোম্পানির সহকর্মী দুই বন্ধু সহ ৩ জন মিলে ওই ছাত্রীকে টানা ছয় দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। দীর্ঘ ছয় দিন খোঁজ না পাওয়ার পর গত ২৮ জুলাই পরিবারের লোকজন কাশিয়ানী থেকে তাকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গায় নিয়ে আসে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আজ সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারের লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা মূল অভিযুক্ত জয়কে আটক করে। পরে তাকে গণপিটুনির হাত থেকে রক্ষা করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
বর্তমানে ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীকে তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে এবং স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য:
প্রধান অভিযুক্ত জয় এর বাড়ি পাশ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা গ্রামের দিপক কুন্ডুর ছেলে বলে জানা যায়।

আপনার মতামত লিখুন