মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও শহরের শাহাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২২০ পিস ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩২ হাজার টাকাসহ মো. রাহেজ আলী নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ সফল অভিযান পরিচালিত হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাপাড়া এলাকার একটি চক্র গোপনে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছিল অধিদপ্তরের কাছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল ৮টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. হারুন আর রশিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল শাহাপাড়ার ওই নির্দিষ্ট পয়েন্টে অতর্কিত হানা দেয়। আকস্মিক এই অভিযানে পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না রাহেজ আলীর। পরবর্তীতে তাঁর বসতবাড়ি ও আশপাশ তল্লাশি করে লুকিয়ে রাখা মাদকের চালান উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তল্লাশি চালিয়ে নিষিদ্ধ ইয়াবা: ২২০ পিস,আমদানি নিষিদ্ধ মাদক ফেনসিডিল: ৯ বোতল, মাদকদ্রব্য বিক্রির নগদ অর্থ: ৩২,০০০ টাকা (যা মাদকের অবৈধ ব্যবসার লেনদেন থেকে অর্জিত বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে)। এ ঘটনায় আটক মো. রাহেজ আলীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং অপরাধের শেকড় উপড়ে ফেলতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন জিরো টলারেন্স নীতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও শহরের শাহাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২২০ পিস ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩২ হাজার টাকাসহ মো. রাহেজ আলী নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ সফল অভিযান পরিচালিত হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাপাড়া এলাকার একটি চক্র গোপনে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছিল অধিদপ্তরের কাছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল ৮টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. হারুন আর রশিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল শাহাপাড়ার ওই নির্দিষ্ট পয়েন্টে অতর্কিত হানা দেয়। আকস্মিক এই অভিযানে পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না রাহেজ আলীর। পরবর্তীতে তাঁর বসতবাড়ি ও আশপাশ তল্লাশি করে লুকিয়ে রাখা মাদকের চালান উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তল্লাশি চালিয়ে নিষিদ্ধ ইয়াবা: ২২০ পিস,আমদানি নিষিদ্ধ মাদক ফেনসিডিল: ৯ বোতল, মাদকদ্রব্য বিক্রির নগদ অর্থ: ৩২,০০০ টাকা (যা মাদকের অবৈধ ব্যবসার লেনদেন থেকে অর্জিত বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে)। এ ঘটনায় আটক মো. রাহেজ আলীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং অপরাধের শেকড় উপড়ে ফেলতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন জিরো টলারেন্স নীতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন