নওগাঁয় আতপ চালের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে অবৈধ মজুদের দায় প্রমাণ হওয়ায় শহরের দুটি শীর্ষস্থানীয় অটো রাইস মিলকে বিপুল অংকের অর্থ জরিমানা করা হয়।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে জেলার প্রধান চাল উৎপাদনকারী এলাকাগুলোতে বিশেষ এ তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় বাজারে আতপ চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগ ওঠে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের একটি ভিজিল্যান্স টিম নওগাঁর বেশ কিছু মিলে অভিযান চালায়।
তদারকিকালে দুই অটো রাইস মিলে নির্ধারিত ধারণক্ষমতা ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল অবৈধভাবে মজুত রাখার প্রমাণ মেলে। পরবর্তীতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী উক্ত মিল দুটিকে জরিমানা প্রদানসহ দ্রুত চাল বাজারজাত করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনকারী কর্মকর্তা জানান, "কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সার্বিক চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় জেলা জুড়ে আমাদের এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।"
অভিযানে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন। সাধারণ ভোক্তারা এই ধরনের নিয়মিত অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং বাজার নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁয় আতপ চালের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে অবৈধ মজুদের দায় প্রমাণ হওয়ায় শহরের দুটি শীর্ষস্থানীয় অটো রাইস মিলকে বিপুল অংকের অর্থ জরিমানা করা হয়।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে জেলার প্রধান চাল উৎপাদনকারী এলাকাগুলোতে বিশেষ এ তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় বাজারে আতপ চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগ ওঠে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের একটি ভিজিল্যান্স টিম নওগাঁর বেশ কিছু মিলে অভিযান চালায়।
তদারকিকালে দুই অটো রাইস মিলে নির্ধারিত ধারণক্ষমতা ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল অবৈধভাবে মজুত রাখার প্রমাণ মেলে। পরবর্তীতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী উক্ত মিল দুটিকে জরিমানা প্রদানসহ দ্রুত চাল বাজারজাত করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনকারী কর্মকর্তা জানান, "কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সার্বিক চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় জেলা জুড়ে আমাদের এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।"
অভিযানে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন। সাধারণ ভোক্তারা এই ধরনের নিয়মিত অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং বাজার নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন