এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতের হিমাচল প্রদেশের কাংড়া জেলার ধর্মশালায় নির্বাসিত তিব্বত সংসদের তিন সদস্য এই অনশনে অংশ নিয়েছেন। চীনের বাস্তবায়িত জাতিগত ঐক্য আইনের প্রতিবাদ এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিতে তারা কর্মসূচিতে যোগ দেন।
ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিওয়াইসির সাধারণ সম্পাদক তেনজিন লোবসাং বলেন, ধারাবাহিক অনশন শুরুর ১৯ দিন পেরিয়েছে। তবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে তিব্বতি শহীদ লোবগা রাংজেনের আত্মাহুতির ৩৪ দিন পার হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত তিব্বতি যুব কংগ্রেসের ৪০টি শাখা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের প্রচার ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে। সাতটির বেশি দেশেও প্রচার ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। জাতিসংঘ যাতে তাদের দাবির প্রতি সাড়া দেয়, সে লক্ষ্যে আন্দোলনকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাসিত তিব্বত সংসদের সদস্য ওয়াংডু দোরজি বলেন, নির্বাসিত তিব্বত সংসদের তিন সদস্য স্বেচ্ছায় ধর্মশালার এই অনশনে অংশ নিয়েছেন। চীনের জাতিগত ঐক্য আইনের প্রতিবাদ এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে আত্মাহুতি দেওয়া শহীদ লোবগা রাংজেনের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা এতে যোগ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, তিব্বতে দমন-পীড়নের জন্য জাতিসংঘের উচিত চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনা।
আরেক তিব্বতি বিক্ষোভকারী সেরিং ডাংচেন বলেন, তিব্বতি ঐতিহ্য অনুযায়ী ধারাবাহিক এই অনশন ৪৯ দিন পালিত হচ্ছে এবং বৃহস্পতিবার ছিল এর ১৯তম দিন। তার ভাষ্য, তিব্বতি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য আরও শক্তিশালী করা এবং চীনাদের বিরুদ্ধে একটি বিপ্লব জাগিয়ে তুলতে তাদের নায়ক লোবগা রাংজেন এই আহ্বান জানিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, চীন বাস্তবায়িত জাতিগত ঐক্য আইনের নিন্দা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তার মতে, আইনটি প্রত্যাখ্যান করা উচিত, কারণ এর উদ্দেশ্য চীন অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তিব্বতিসহ সংখ্যালঘুদের নির্মূল করা।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতের হিমাচল প্রদেশের কাংড়া জেলার ধর্মশালায় নির্বাসিত তিব্বত সংসদের তিন সদস্য এই অনশনে অংশ নিয়েছেন। চীনের বাস্তবায়িত জাতিগত ঐক্য আইনের প্রতিবাদ এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিতে তারা কর্মসূচিতে যোগ দেন।
ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিওয়াইসির সাধারণ সম্পাদক তেনজিন লোবসাং বলেন, ধারাবাহিক অনশন শুরুর ১৯ দিন পেরিয়েছে। তবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে তিব্বতি শহীদ লোবগা রাংজেনের আত্মাহুতির ৩৪ দিন পার হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত তিব্বতি যুব কংগ্রেসের ৪০টি শাখা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের প্রচার ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে। সাতটির বেশি দেশেও প্রচার ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। জাতিসংঘ যাতে তাদের দাবির প্রতি সাড়া দেয়, সে লক্ষ্যে আন্দোলনকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাসিত তিব্বত সংসদের সদস্য ওয়াংডু দোরজি বলেন, নির্বাসিত তিব্বত সংসদের তিন সদস্য স্বেচ্ছায় ধর্মশালার এই অনশনে অংশ নিয়েছেন। চীনের জাতিগত ঐক্য আইনের প্রতিবাদ এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে আত্মাহুতি দেওয়া শহীদ লোবগা রাংজেনের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা এতে যোগ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, তিব্বতে দমন-পীড়নের জন্য জাতিসংঘের উচিত চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনা।
আরেক তিব্বতি বিক্ষোভকারী সেরিং ডাংচেন বলেন, তিব্বতি ঐতিহ্য অনুযায়ী ধারাবাহিক এই অনশন ৪৯ দিন পালিত হচ্ছে এবং বৃহস্পতিবার ছিল এর ১৯তম দিন। তার ভাষ্য, তিব্বতি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য আরও শক্তিশালী করা এবং চীনাদের বিরুদ্ধে একটি বিপ্লব জাগিয়ে তুলতে তাদের নায়ক লোবগা রাংজেন এই আহ্বান জানিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, চীন বাস্তবায়িত জাতিগত ঐক্য আইনের নিন্দা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তার মতে, আইনটি প্রত্যাখ্যান করা উচিত, কারণ এর উদ্দেশ্য চীন অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তিব্বতিসহ সংখ্যালঘুদের নির্মূল করা।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

আপনার মতামত লিখুন