শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘আগামী শৈলকূপা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা এবং প্রয়াত বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে তার বক্তব্য স্পষ্ট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে হত্যা, খুন, গুম ও গণহত্যার সঙ্গে শেখ হাসিনা জড়িত ছিলেন—এ বিষয়গুলো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তিনি যদি এসব ঘটনার সত্যের মুখোমুখি হতে চান, তাহলে তাকে দেশে ফিরতে হবে।
বিচার বিভাগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, তার স্বপ্নের বিচার বিভাগ হবে এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে একজন দরিদ্র ও অসহায় মানুষ সৃষ্টিকর্তার পরেই আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যেতে পারবেন। তবে বিচার বিভাগে এখনো অনেক সমস্যা রয়েছে।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের সমস্যা ও তার নিজের দৃষ্টিতে সমস্যার ধরন এক নয়। কেউ মনে করেন বিচার বিভাগ দুর্নীতিতে আক্রান্ত, কেউ মনে করেন টাউট-বাটপারিতে ভরে গেছে, আবার কেউ কাঠামোগত সংকটের কথা বলেন। তবে তার কাছে বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় সংকট হলো মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাব।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ যদি বিচারক পেশা হিসেবে বেছে নেন, তাহলে তাকে সাধারণ চাকরির মতো দায়িত্ব পালন করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিচারকদের মনে রাখতে হবে, তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বিধাতা প্রদত্ত সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব নিয়ে এই পেশায় এসেছেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যারা বেশি আলোচনা করছেন, তাদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, নিজের বুকে হাত রেখে একবার ভাবতে হবে—এতগুলো অপরাধের পর শেখ হাসিনা কখনো জনগণ ও মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন কি না। এমনকি একবারের জন্যও তার মনে হয়েছে কি না যে তারা অপরাধ করেছেন।
মতবিনিময় সভা ও প্রয়াত বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ।
সূত্র: আমার দেশ।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘আগামী শৈলকূপা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা এবং প্রয়াত বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে তার বক্তব্য স্পষ্ট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে হত্যা, খুন, গুম ও গণহত্যার সঙ্গে শেখ হাসিনা জড়িত ছিলেন—এ বিষয়গুলো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তিনি যদি এসব ঘটনার সত্যের মুখোমুখি হতে চান, তাহলে তাকে দেশে ফিরতে হবে।
বিচার বিভাগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, তার স্বপ্নের বিচার বিভাগ হবে এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে একজন দরিদ্র ও অসহায় মানুষ সৃষ্টিকর্তার পরেই আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যেতে পারবেন। তবে বিচার বিভাগে এখনো অনেক সমস্যা রয়েছে।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের সমস্যা ও তার নিজের দৃষ্টিতে সমস্যার ধরন এক নয়। কেউ মনে করেন বিচার বিভাগ দুর্নীতিতে আক্রান্ত, কেউ মনে করেন টাউট-বাটপারিতে ভরে গেছে, আবার কেউ কাঠামোগত সংকটের কথা বলেন। তবে তার কাছে বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় সংকট হলো মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাব।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ যদি বিচারক পেশা হিসেবে বেছে নেন, তাহলে তাকে সাধারণ চাকরির মতো দায়িত্ব পালন করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিচারকদের মনে রাখতে হবে, তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বিধাতা প্রদত্ত সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব নিয়ে এই পেশায় এসেছেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যারা বেশি আলোচনা করছেন, তাদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, নিজের বুকে হাত রেখে একবার ভাবতে হবে—এতগুলো অপরাধের পর শেখ হাসিনা কখনো জনগণ ও মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন কি না। এমনকি একবারের জন্যও তার মনে হয়েছে কি না যে তারা অপরাধ করেছেন।
মতবিনিময় সভা ও প্রয়াত বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ।
সূত্র: আমার দেশ।

আপনার মতামত লিখুন