ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চামোলি জেলার পিপালকোটিতে তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেডের (টিএইচডিসি) একটি প্রকল্পের টানেলে নির্মাণকাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষ টানেলের ভেতরে প্রবেশ করে।
চামোলির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গৌরব কুমার জানান, পানির তীব্র স্রোতে কয়েকজন শ্রমিক টানেলের নির্গমনপথের দিকে ভেসে যান। রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় টানেলের ভেতরে অন্তত ২৮ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
নিখোঁজ তিন শ্রমিককে উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ) সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
স্থানীয় বিধায়ক লক্ষপত বুটোলা ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, পুরো প্রশাসনিক দল ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিয়মিত উদ্ধার অভিযানের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শ্রমিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলেও জানান তিনি। দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকদের অধিকাংশই ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরে চামোলি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর আগে সোমবার জেলার নীতি ভ্যালি এলাকায় পাহাড়ি নদীর প্রবল স্রোতে একটি সেতু ভেসে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রবল স্রোতের পানিতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ধাতব সেতুটি ভেসে যায়।
ভারী বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই নির্মাণাধীন টানেলে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ তিন শ্রমিককে উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চামোলি জেলার পিপালকোটিতে তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেডের (টিএইচডিসি) একটি প্রকল্পের টানেলে নির্মাণকাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষ টানেলের ভেতরে প্রবেশ করে।
চামোলির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গৌরব কুমার জানান, পানির তীব্র স্রোতে কয়েকজন শ্রমিক টানেলের নির্গমনপথের দিকে ভেসে যান। রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় টানেলের ভেতরে অন্তত ২৮ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
নিখোঁজ তিন শ্রমিককে উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ) সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
স্থানীয় বিধায়ক লক্ষপত বুটোলা ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, পুরো প্রশাসনিক দল ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিয়মিত উদ্ধার অভিযানের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শ্রমিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলেও জানান তিনি। দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকদের অধিকাংশই ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরে চামোলি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর আগে সোমবার জেলার নীতি ভ্যালি এলাকায় পাহাড়ি নদীর প্রবল স্রোতে একটি সেতু ভেসে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রবল স্রোতের পানিতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ধাতব সেতুটি ভেসে যায়।
ভারী বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই নির্মাণাধীন টানেলে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ তিন শ্রমিককে উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন