ঝু রংজির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের বাইরেও তাদের মধ্যে গভীর ও আন্তরিক যোগাযোগ ছিল। তিনি ঝু রংজিকে নিজের ‘ভালো বন্ধু’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
চীনের অর্থনীতিকে বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ১২ আগস্ট বুধবার ৯৭ বছর বয়সে মারা যান। তার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
আনোয়ার বলেন, ঝু রংজির সঙ্গে তার যোগাযোগ কেবল রাষ্ট্রীয় বা কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল না। স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ঝু রংজি তাকে চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের জন্মস্থান শানডং প্রদেশের বিখ্যাত তাইশান পর্বত এবং ঐতিহাসিক চীনা নৌ-অভিযাত্রী অ্যাডমিরাল ঝেং হের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে দেখার ব্যবস্থা করেছিলেন।
একবার আনোয়ার ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে গিয়ে ঝু রংজি নিজের পছন্দে নির্বাচিত কয়েকটি চীনা ক্ল্যাসিক বই তাকে উপহার দেন। আনোয়ার জানান, বইগুলো তিনি এখনো যত্ন করে সংরক্ষণ করছেন।
ঝু রংজির মৃত্যুতে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ংও শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি ঝু রংজিকে সিঙ্গাপুরের ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ অর্থনৈতিক প্রকল্পে ঝু রংজির ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।
চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি দেশটির অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে চীনের সংযোগ আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ঝু রংজির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের বাইরেও তাদের মধ্যে গভীর ও আন্তরিক যোগাযোগ ছিল। তিনি ঝু রংজিকে নিজের ‘ভালো বন্ধু’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
চীনের অর্থনীতিকে বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ১২ আগস্ট বুধবার ৯৭ বছর বয়সে মারা যান। তার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
আনোয়ার বলেন, ঝু রংজির সঙ্গে তার যোগাযোগ কেবল রাষ্ট্রীয় বা কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল না। স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ঝু রংজি তাকে চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের জন্মস্থান শানডং প্রদেশের বিখ্যাত তাইশান পর্বত এবং ঐতিহাসিক চীনা নৌ-অভিযাত্রী অ্যাডমিরাল ঝেং হের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে দেখার ব্যবস্থা করেছিলেন।
একবার আনোয়ার ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে গিয়ে ঝু রংজি নিজের পছন্দে নির্বাচিত কয়েকটি চীনা ক্ল্যাসিক বই তাকে উপহার দেন। আনোয়ার জানান, বইগুলো তিনি এখনো যত্ন করে সংরক্ষণ করছেন।
ঝু রংজির মৃত্যুতে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ংও শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি ঝু রংজিকে সিঙ্গাপুরের ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ অর্থনৈতিক প্রকল্পে ঝু রংজির ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।
চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি দেশটির অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে চীনের সংযোগ আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আপনার মতামত লিখুন