বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের ওপর অবরোধ কার্যকর রাখতে ওই অঞ্চলে প্রয়োজনীয় নৌ উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা মার্কিন সামরিক বাহিনীর রয়েছে। তার দাবি, চলমান অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
পানামা সফরের সময় হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী চাইলে অনির্দিষ্টকাল এ ধরনের অবরোধ অব্যাহত রাখতে পারে। তার ভাষ্য, নিয়মিতভাবে জাহাজ আটকে দেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।
অন্যদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিউজম্যাক্সের ‘রব শ্মিট টুনাইট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আরও কিছু ঘোষণা আসতে পারে। তার দাবি, ইরানের ওপর এমন মাত্রার অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হবে, যা এর আগে কোনো দেশের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়নি।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে জুনে সম্ভাব্য একটি চুক্তির উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এরই মধ্যে প্রণালিটি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা কয়েকটি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম। এ ঘটনাকে ইরানের হামলা হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের ভেতরে যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপের মুখে রয়েছেন। যুদ্ধটি দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ পরিস্থিতিতে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজ দলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা ট্রাম্পের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের ওপর অবরোধ কার্যকর রাখতে ওই অঞ্চলে প্রয়োজনীয় নৌ উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা মার্কিন সামরিক বাহিনীর রয়েছে। তার দাবি, চলমান অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
পানামা সফরের সময় হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী চাইলে অনির্দিষ্টকাল এ ধরনের অবরোধ অব্যাহত রাখতে পারে। তার ভাষ্য, নিয়মিতভাবে জাহাজ আটকে দেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।
অন্যদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিউজম্যাক্সের ‘রব শ্মিট টুনাইট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আরও কিছু ঘোষণা আসতে পারে। তার দাবি, ইরানের ওপর এমন মাত্রার অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হবে, যা এর আগে কোনো দেশের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়নি।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে জুনে সম্ভাব্য একটি চুক্তির উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এরই মধ্যে প্রণালিটি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা কয়েকটি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম। এ ঘটনাকে ইরানের হামলা হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের ভেতরে যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপের মুখে রয়েছেন। যুদ্ধটি দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ পরিস্থিতিতে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজ দলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা ট্রাম্পের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন