ইরানের বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা মিজানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহসেনি-এজেই হরমুজ প্রণালিকে ইরানের মালিকানাধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন জলপথ হিসেবে উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক আইন ও ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে এ জলপথের ওপর তেহরানের অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মোহসেনি-এজেই বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে কোনো ‘আগ্রাসী’ রাষ্ট্র বা সামরিক বাহিনী ইরানের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করলে তাদের পরাজয় অনিবার্য। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও যে লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি, কেবল বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে সেটি অর্জন করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার কথা বলেছিলেন। ইরান ওই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে প্রত্যাখ্যান করার পরই নতুন করে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হরমুজকে ঘিরে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তথ্যসূত্র: জিও নিউজ।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ইরানের বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা মিজানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহসেনি-এজেই হরমুজ প্রণালিকে ইরানের মালিকানাধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন জলপথ হিসেবে উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক আইন ও ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে এ জলপথের ওপর তেহরানের অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মোহসেনি-এজেই বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে কোনো ‘আগ্রাসী’ রাষ্ট্র বা সামরিক বাহিনী ইরানের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করলে তাদের পরাজয় অনিবার্য। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও যে লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি, কেবল বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে সেটি অর্জন করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার কথা বলেছিলেন। ইরান ওই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে প্রত্যাখ্যান করার পরই নতুন করে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হরমুজকে ঘিরে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তথ্যসূত্র: জিও নিউজ।

আপনার মতামত লিখুন