শনিবার (১৫ আগস্ট) গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মাহমুদ বাসাল আনাদোলুকে জানান, পূর্ব গাজা সিটির ‘আসকুলা’ এলাকার ‘বাতনিজি’ পরিবারের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির নিচ থেকে ১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম গাজার ‘কাতিবা’ এলাকার ‘ঘারবিয়া’ পরিবারের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৯ জনের দেহাবশেষ পাওয়া যায়।
দুটি স্থানে অনুসন্ধান শেষ করার পর সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারীরা জানতে পারেন, জেইতুন এলাকার ‘আল-মাঘরিবি’ পরিবারের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির নিচে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত ৪০ জনের মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
এ তথ্য পাওয়ার পর ওই এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছেন উদ্ধারকারীরা।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (১৫ আগস্ট) গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মাহমুদ বাসাল আনাদোলুকে জানান, পূর্ব গাজা সিটির ‘আসকুলা’ এলাকার ‘বাতনিজি’ পরিবারের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির নিচ থেকে ১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম গাজার ‘কাতিবা’ এলাকার ‘ঘারবিয়া’ পরিবারের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৯ জনের দেহাবশেষ পাওয়া যায়।
দুটি স্থানে অনুসন্ধান শেষ করার পর সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারীরা জানতে পারেন, জেইতুন এলাকার ‘আল-মাঘরিবি’ পরিবারের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির নিচে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত ৪০ জনের মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
এ তথ্য পাওয়ার পর ওই এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছেন উদ্ধারকারীরা।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

আপনার মতামত লিখুন