দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা শেষ করার পরপরই কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে ফাইন্যান্স জগতে তার পথচলা শুরু হয়। ১৫ বছর বয়সে তিনি এসিসিএ যোগ্যতার প্রস্তুতি শুরু করেন এবং প্রায় এক বছরের মধ্যেই তা সম্পন্ন করেন।
এরপর মেইয়াপ্পান তার শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা আরও এগিয়ে নিতে থাকেন। তিনি সিএফএ চার্টার অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে ফাইন্যান্সে এমএসসি করছেন। পাশাপাশি দুবাইয়ের সেঞ্চুরি ফাইন্যান্সিয়ালে সিনিয়র রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানে বিনিয়োগ, গবেষণা ও বিশ্লেষণ এবং আর্থিক বাজারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ তার কাজের অংশ।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় থেকেই মেইয়াপ্পানের অ্যাকাউন্টিংয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। পিডব্লিউসি একাডেমির একটি পুরোনো প্রোফাইল অনুযায়ী, কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় তার মা তাকে অ্যাকাউন্টিংয়ের প্রাথমিক ধারণার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তার মা নিজেও একজন এসিসিএ। এরপর মেইয়াপ্পান নিজেই এসিসিএ যোগ্যতা অর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
অল্প বয়সে এসিসিএ সম্পন্ন করলেও সেখানেই তার শিক্ষার যাত্রা থেমে থাকেনি। পরবর্তীতে তিনি সিএফএ যোগ্যতা অর্জন করেন এবং বর্তমানে ফাইন্যান্স বিষয়ে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পড়াশোনা ও ফাইন্যান্সের পাশাপাশি মেইয়াপ্পানের আরও কিছু আগ্রহ রয়েছে। অবসর সময়ে তিনি ঘড়ি ডিজাইন ও তৈরি করেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে মেইয়াপ্পান বলেন, এই অর্জন তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি কখনো কোনো যোগ্যতা অর্জনকে প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখেননি। তার মূল লক্ষ্য ছিল বাস্তব জগতে ফাইন্যান্স কীভাবে কাজ করে তা বোঝা এবং এমন দক্ষতা অর্জন করা, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রাসঙ্গিক থাকবে। তার মতে, শেখার পেছনে যখন কৌতূহল কাজ করে, তখন সেই শিক্ষার ফলাফল আরও বেশি অর্থবহ হয়।
সূত্র: এনডিটিভি

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা শেষ করার পরপরই কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে ফাইন্যান্স জগতে তার পথচলা শুরু হয়। ১৫ বছর বয়সে তিনি এসিসিএ যোগ্যতার প্রস্তুতি শুরু করেন এবং প্রায় এক বছরের মধ্যেই তা সম্পন্ন করেন।
এরপর মেইয়াপ্পান তার শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা আরও এগিয়ে নিতে থাকেন। তিনি সিএফএ চার্টার অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে ফাইন্যান্সে এমএসসি করছেন। পাশাপাশি দুবাইয়ের সেঞ্চুরি ফাইন্যান্সিয়ালে সিনিয়র রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানে বিনিয়োগ, গবেষণা ও বিশ্লেষণ এবং আর্থিক বাজারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ তার কাজের অংশ।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় থেকেই মেইয়াপ্পানের অ্যাকাউন্টিংয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। পিডব্লিউসি একাডেমির একটি পুরোনো প্রোফাইল অনুযায়ী, কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় তার মা তাকে অ্যাকাউন্টিংয়ের প্রাথমিক ধারণার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তার মা নিজেও একজন এসিসিএ। এরপর মেইয়াপ্পান নিজেই এসিসিএ যোগ্যতা অর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
অল্প বয়সে এসিসিএ সম্পন্ন করলেও সেখানেই তার শিক্ষার যাত্রা থেমে থাকেনি। পরবর্তীতে তিনি সিএফএ যোগ্যতা অর্জন করেন এবং বর্তমানে ফাইন্যান্স বিষয়ে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পড়াশোনা ও ফাইন্যান্সের পাশাপাশি মেইয়াপ্পানের আরও কিছু আগ্রহ রয়েছে। অবসর সময়ে তিনি ঘড়ি ডিজাইন ও তৈরি করেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে মেইয়াপ্পান বলেন, এই অর্জন তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি কখনো কোনো যোগ্যতা অর্জনকে প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখেননি। তার মূল লক্ষ্য ছিল বাস্তব জগতে ফাইন্যান্স কীভাবে কাজ করে তা বোঝা এবং এমন দক্ষতা অর্জন করা, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রাসঙ্গিক থাকবে। তার মতে, শেখার পেছনে যখন কৌতূহল কাজ করে, তখন সেই শিক্ষার ফলাফল আরও বেশি অর্থবহ হয়।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন