জিএএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত সংগঠনকে এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করাই এর উদ্দেশ্য।
জোটটির দাবি, ১০ অক্টোবরের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা নতুন করে সামনে আনা হবে। তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সমাবেশ ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে এতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জিএএফপি জানায়, অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোকে প্রচারণার বিভিন্ন উপকরণ, সমন্বয় এবং কৌশলগত সহায়তা দেওয়া হবে। স্থানীয় নাগরিক সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও ছাত্র নেটওয়ার্কগুলো নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী কর্মসূচি আয়োজন করতে পারবে।
জোটটির মহাসচিব ড. আনাস আলতিকৃতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই। অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
জিএএফপির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নীরবতা ভাঙা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ সৃষ্টি এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতার দাবি জোরালো করাই এ প্রচারণার লক্ষ্য। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা এবং বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞামূলক কার্যক্রম।
জোটটি দাবি করেছে, গাজা সংঘাতে বিপুল প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষাপটেই এ বৈশ্বিক কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। তবে ইসরায়েল এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে এবং হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছে।
জিএএফপি জানিয়েছে, আগ্রহী সংগঠনগুলো নিবন্ধনের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
জিএএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত সংগঠনকে এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করাই এর উদ্দেশ্য।
জোটটির দাবি, ১০ অক্টোবরের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা নতুন করে সামনে আনা হবে। তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সমাবেশ ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে এতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জিএএফপি জানায়, অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোকে প্রচারণার বিভিন্ন উপকরণ, সমন্বয় এবং কৌশলগত সহায়তা দেওয়া হবে। স্থানীয় নাগরিক সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও ছাত্র নেটওয়ার্কগুলো নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী কর্মসূচি আয়োজন করতে পারবে।
জোটটির মহাসচিব ড. আনাস আলতিকৃতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই। অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
জিএএফপির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নীরবতা ভাঙা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ সৃষ্টি এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতার দাবি জোরালো করাই এ প্রচারণার লক্ষ্য। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা এবং বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞামূলক কার্যক্রম।
জোটটি দাবি করেছে, গাজা সংঘাতে বিপুল প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষাপটেই এ বৈশ্বিক কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। তবে ইসরায়েল এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে এবং হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছে।
জিএএফপি জানিয়েছে, আগ্রহী সংগঠনগুলো নিবন্ধনের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

আপনার মতামত লিখুন