রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকির কারণে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা কয়েকটি দেশ হলো—
ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন। জ্বালানি বাজারবিষয়ক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইরান থেকে চীন দৈনিক গড়ে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল তেল কিনেছে। ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশেরও বেশি চীনে যায়।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটাতে চীনের কিছু স্বাধীন শোধনাগার দীর্ঘদিন ধরে ইরানি তেল কিনছে। এসব লেনদেনে চীনা মুদ্রা ব্যবহার করা হয় এবং বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হয়।
এপ্রিল মাসে ইরানি তেল কেনার অভিযোগে চীনের একটি স্বাধীন শোধনাগারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল বাণিজ্যে সহযোগিতা করা চীনা ব্যাংকগুলোও ভবিষ্যতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে বলে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ দিয়ে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২৪ সালে ইরানের মোট আমদানির প্রায় ৩০ শতাংশ, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার, আমিরাত থেকে এসেছে। একই বছরে ইরানের মোট রপ্তানির ১৩ শতাংশের গন্তব্য ছিল দেশটি।
২০২৪ সালে দুই দেশের তেলবহির্ভূত বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশ ছিল পুনঃরপ্তানি।
তবে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময় তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের আর্থিক ও অর্থনৈতিক লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে আমিরাত।
ইরান ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তুরস্ক ইরান থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস নেয় এবং দেশটিতে বিভিন্ন শিল্পপণ্য রপ্তানি করে।
দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তুরস্কের রপ্তানির অংশ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। তুরস্কের মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ আসে ইরান থেকে।
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের মধ্যে ইরাকও রয়েছে। ২০২৫ সালে দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল।
ইরান থেকে খাদ্য ও ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করে ইরাক। তবে ২০২৬ সালে সংঘাত শুরুর পর সীমান্তে নিরাপত্তাঝুঁকি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে দুই দেশের বাণিজ্য কমেছে।
ইরানের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেছে মাসকাট।
২০২৫ সালে ইরান ও ওমানের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে এই বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৫ মিলিয়ন ডলারে।
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে পাকিস্তান। তবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিলে ইসলামাবাদও চাপের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আগের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সময় ইরান-পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য লেনদেন হয় বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে তেল, গম, চাল, গবাদিপশু ও ওষুধের বাণিজ্য রয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২০ সাল থেকে ভারত ও ইরানের বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার থাকলেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য আরও কমে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। এর বড় অংশ ভারতের রপ্তানি। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে শস্য, চা, কফি ও মসলা।
ভারতীয় কর্মকর্তারা অতীতে এসব পণ্যের রপ্তানিকে মানবিক প্রয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
২০২৫ সালে আর্মেনিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৭৬৮ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ইরানের সঙ্গে হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দুই দেশের বাণিজ্য ৩৭১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ইরান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে ‘গ্যাসের বিনিময়ে বিদ্যুৎ’ চুক্তিও রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ইরান আর্মেনিয়ায় গ্যাস সরবরাহ করে এবং এর বিনিময়ে আর্মেনিয়া বিদ্যুৎ দেয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ইরান ও আজারবাইজানের বাণিজ্য ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৩১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৯৯ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।
এই সময়ে ইরান থেকে আজারবাইজানের আমদানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ২৯৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আজারবাইজানের ইরানে রপ্তানি প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানের সঙ্গে এসব দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিলে শুধু তেহরান নয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ব্যাংক, তেল ব্যবসা ও সরবরাহ ব্যবস্থাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকির কারণে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা কয়েকটি দেশ হলো—
ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন। জ্বালানি বাজারবিষয়ক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইরান থেকে চীন দৈনিক গড়ে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল তেল কিনেছে। ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশেরও বেশি চীনে যায়।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটাতে চীনের কিছু স্বাধীন শোধনাগার দীর্ঘদিন ধরে ইরানি তেল কিনছে। এসব লেনদেনে চীনা মুদ্রা ব্যবহার করা হয় এবং বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হয়।
এপ্রিল মাসে ইরানি তেল কেনার অভিযোগে চীনের একটি স্বাধীন শোধনাগারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল বাণিজ্যে সহযোগিতা করা চীনা ব্যাংকগুলোও ভবিষ্যতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে বলে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ দিয়ে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২৪ সালে ইরানের মোট আমদানির প্রায় ৩০ শতাংশ, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার, আমিরাত থেকে এসেছে। একই বছরে ইরানের মোট রপ্তানির ১৩ শতাংশের গন্তব্য ছিল দেশটি।
২০২৪ সালে দুই দেশের তেলবহির্ভূত বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশ ছিল পুনঃরপ্তানি।
তবে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময় তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের আর্থিক ও অর্থনৈতিক লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে আমিরাত।
ইরান ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তুরস্ক ইরান থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস নেয় এবং দেশটিতে বিভিন্ন শিল্পপণ্য রপ্তানি করে।
দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তুরস্কের রপ্তানির অংশ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। তুরস্কের মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ আসে ইরান থেকে।
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের মধ্যে ইরাকও রয়েছে। ২০২৫ সালে দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল।
ইরান থেকে খাদ্য ও ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করে ইরাক। তবে ২০২৬ সালে সংঘাত শুরুর পর সীমান্তে নিরাপত্তাঝুঁকি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে দুই দেশের বাণিজ্য কমেছে।
ইরানের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেছে মাসকাট।
২০২৫ সালে ইরান ও ওমানের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে এই বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৫ মিলিয়ন ডলারে।
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে পাকিস্তান। তবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিলে ইসলামাবাদও চাপের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আগের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সময় ইরান-পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য লেনদেন হয় বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে তেল, গম, চাল, গবাদিপশু ও ওষুধের বাণিজ্য রয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২০ সাল থেকে ভারত ও ইরানের বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার থাকলেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য আরও কমে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। এর বড় অংশ ভারতের রপ্তানি। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে শস্য, চা, কফি ও মসলা।
ভারতীয় কর্মকর্তারা অতীতে এসব পণ্যের রপ্তানিকে মানবিক প্রয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
২০২৫ সালে আর্মেনিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৭৬৮ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ইরানের সঙ্গে হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দুই দেশের বাণিজ্য ৩৭১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ইরান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে ‘গ্যাসের বিনিময়ে বিদ্যুৎ’ চুক্তিও রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ইরান আর্মেনিয়ায় গ্যাস সরবরাহ করে এবং এর বিনিময়ে আর্মেনিয়া বিদ্যুৎ দেয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ইরান ও আজারবাইজানের বাণিজ্য ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৩১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৯৯ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।
এই সময়ে ইরান থেকে আজারবাইজানের আমদানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ২৯৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আজারবাইজানের ইরানে রপ্তানি প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানের সঙ্গে এসব দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিলে শুধু তেহরান নয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ব্যাংক, তেল ব্যবসা ও সরবরাহ ব্যবস্থাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন