এ পরিস্থিতিতে সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের পদস্খলন ও নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যকরী সদস্য রায়হান উদ্দীন।
তিনি অভিযোগ করেন, নৈতিকতার বিষয়ে যেসব নেতার কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও কর্মীরা নিয়মিত কথা শুনে আসছেন, তাদের মধ্য থেকেই নৈতিকতার অবক্ষয় শুরু হয়েছে।
রায়হান উদ্দীন বলেন, সংগঠনের দায়িত্বশীলদের নৈতিক অধঃপতন নিজের চোখের সামনে দেখে তিনি গভীরভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। যাদের জন্য তারা কাবার গিলাফ ধরে দোয়া করেন এবং তাহাজ্জুদের সময় দোয়া করেন, তাদের নিয়েই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ডাকসুর এই নেতা।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, নৈতিকতার অবক্ষয় সংগঠনের ওপরের পর্যায় থেকেই শুরু হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে নিচের দিকের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ওপরের পর্যায়ে অনেক সময় ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এতে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনৈতিক স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করে যারা এর ক্ষতি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে শাস্তি কামনা করেন রায়হান। একই সঙ্গে নিজেদের অনিয়ম সম্পর্কে জানার পরও দায়িত্বশীলদের সামনে নৈতিকতার বড় বড় কথা বলা ব্যক্তিদের হাত থেকেও সংগঠনকে মুক্ত করার জন্য দোয়া করেন তিনি।
ছাত্রশিবিরকে নিজের আবেগ ও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে রায়হান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই সংগঠনের কাছে ঋণী। এই সংগঠনই তাকে বর্তমান অবস্থানে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের নৈতিক অধঃপতনের ঘটনা সামনে আসায় তিনি আর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান। এ বিষয়ে কথা বলা ও লেখালেখির কারণে তিনি অনেকের কাছে অপ্রিয় হয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও অপ্রিয় হলেও সত্য কথা বলার অবস্থান থেকে সরে যাবেন না বলে জানান।
রায়হান উদ্দীন বলেন, সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে তার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হলেও তিনি তা নিয়ে চিন্তিত নন। তার ভাষ্য, এই সংগঠন অসংখ্য তরুণের মুক্তির ঠিকানা।
সূত্র: দি ঢাকা ডায়েরি

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
এ পরিস্থিতিতে সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের পদস্খলন ও নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যকরী সদস্য রায়হান উদ্দীন।
তিনি অভিযোগ করেন, নৈতিকতার বিষয়ে যেসব নেতার কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও কর্মীরা নিয়মিত কথা শুনে আসছেন, তাদের মধ্য থেকেই নৈতিকতার অবক্ষয় শুরু হয়েছে।
রায়হান উদ্দীন বলেন, সংগঠনের দায়িত্বশীলদের নৈতিক অধঃপতন নিজের চোখের সামনে দেখে তিনি গভীরভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। যাদের জন্য তারা কাবার গিলাফ ধরে দোয়া করেন এবং তাহাজ্জুদের সময় দোয়া করেন, তাদের নিয়েই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ডাকসুর এই নেতা।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, নৈতিকতার অবক্ষয় সংগঠনের ওপরের পর্যায় থেকেই শুরু হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে নিচের দিকের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ওপরের পর্যায়ে অনেক সময় ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এতে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনৈতিক স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করে যারা এর ক্ষতি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে শাস্তি কামনা করেন রায়হান। একই সঙ্গে নিজেদের অনিয়ম সম্পর্কে জানার পরও দায়িত্বশীলদের সামনে নৈতিকতার বড় বড় কথা বলা ব্যক্তিদের হাত থেকেও সংগঠনকে মুক্ত করার জন্য দোয়া করেন তিনি।
ছাত্রশিবিরকে নিজের আবেগ ও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে রায়হান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই সংগঠনের কাছে ঋণী। এই সংগঠনই তাকে বর্তমান অবস্থানে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের নৈতিক অধঃপতনের ঘটনা সামনে আসায় তিনি আর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান। এ বিষয়ে কথা বলা ও লেখালেখির কারণে তিনি অনেকের কাছে অপ্রিয় হয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও অপ্রিয় হলেও সত্য কথা বলার অবস্থান থেকে সরে যাবেন না বলে জানান।
রায়হান উদ্দীন বলেন, সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে তার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হলেও তিনি তা নিয়ে চিন্তিত নন। তার ভাষ্য, এই সংগঠন অসংখ্য তরুণের মুক্তির ঠিকানা।
সূত্র: দি ঢাকা ডায়েরি

আপনার মতামত লিখুন