রোববার (২৩ আগস্ট) পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার খবর পেয়ে সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাতের ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ইমরান খানের বিষয়ে চিঠিতে তিনটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষভাবে তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির সমস্যার যথাযথ পরীক্ষা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই প্রতি সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
তৃতীয়ত, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা যে পরামর্শ দেবেন, তা দ্রুত এবং কোনো বিলম্ব ছাড়াই বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাবেক অধিনায়কেরা চিঠিতে জানান, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বা আইনি বিষয়ে তাঁরা হস্তক্ষেপ করতে চান না। তবে সাবেক ক্রীড়াবিদ ও রাষ্ট্রের সাবেক প্রধান হিসেবে ইমরান খানের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব ও দিলীপ ভেংসরকার ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়কেরা রয়েছেন।
ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনাও বেড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগ করেছে।
ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও দণ্ড কার্যকর থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে বন্দি। তাঁর চিকিৎসা, কারাগারের পরিবেশ এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নিয়ে নিয়মিত রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।
চিঠির শেষাংশে সাবেক অধিনায়কেরা আশা প্রকাশ করেন, পাকিস্তান সরকার দ্রুত বিষয়টির সমাধানে উদ্যোগ নেবে এবং ইমরান খানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করবে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রোববার (২৩ আগস্ট) পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার খবর পেয়ে সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাতের ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ইমরান খানের বিষয়ে চিঠিতে তিনটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষভাবে তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির সমস্যার যথাযথ পরীক্ষা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই প্রতি সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
তৃতীয়ত, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা যে পরামর্শ দেবেন, তা দ্রুত এবং কোনো বিলম্ব ছাড়াই বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাবেক অধিনায়কেরা চিঠিতে জানান, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বা আইনি বিষয়ে তাঁরা হস্তক্ষেপ করতে চান না। তবে সাবেক ক্রীড়াবিদ ও রাষ্ট্রের সাবেক প্রধান হিসেবে ইমরান খানের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব ও দিলীপ ভেংসরকার ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়কেরা রয়েছেন।
ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনাও বেড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগ করেছে।
ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও দণ্ড কার্যকর থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে বন্দি। তাঁর চিকিৎসা, কারাগারের পরিবেশ এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নিয়ে নিয়মিত রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।
চিঠির শেষাংশে সাবেক অধিনায়কেরা আশা প্রকাশ করেন, পাকিস্তান সরকার দ্রুত বিষয়টির সমাধানে উদ্যোগ নেবে এবং ইমরান খানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করবে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস

আপনার মতামত লিখুন