পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেবা ও জরুরি অস্ত্রোপচার কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় প্রয়োজনের সময় অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনের সময়সূচির কারণে সপ্তাহের অধিকাংশ দিন পাইকগাছা হাসপাতালে অ্যানেস্থেশিয়া সেবা পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে রোগীদের অনেক সময় খুলনা বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে এ পরিস্থিতি বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করছে। দূরবর্তী হাসপাতালে যাতায়াতের পাশাপাশি বেসরকারি চিকিৎসার অতিরিক্ত খরচ বহন করতে গিয়ে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে চাপে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্ব বণ্টন ও উপস্থিতির বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য ও বায়োমেট্রিক উপস্থিতির তথ্য যাচাই করে প্রকৃত পরিস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য জরুরি প্রসূতি সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেবা ও জরুরি অস্ত্রোপচার কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় প্রয়োজনের সময় অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনের সময়সূচির কারণে সপ্তাহের অধিকাংশ দিন পাইকগাছা হাসপাতালে অ্যানেস্থেশিয়া সেবা পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে রোগীদের অনেক সময় খুলনা বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে এ পরিস্থিতি বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করছে। দূরবর্তী হাসপাতালে যাতায়াতের পাশাপাশি বেসরকারি চিকিৎসার অতিরিক্ত খরচ বহন করতে গিয়ে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে চাপে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্ব বণ্টন ও উপস্থিতির বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য ও বায়োমেট্রিক উপস্থিতির তথ্য যাচাই করে প্রকৃত পরিস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য জরুরি প্রসূতি সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন