পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা হিসেবে এটি বিবেচিত হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে আসা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নথি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে পরে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিদের ভিসা বাতিলের আওতায় আনার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিসা বাতিল হলেও এসব আবেদনকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। বরং তাদের ব্যবসায়ী বা পর্যটক হিসেবে থাকা বৈধতা বাতিল করে নতুন একটি আইনি শ্রেণির আওতায় নেওয়া হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর নীতিতে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে পড়েছেন চীনের নাগরিকেরা। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করার প্রবণতা চীনা নাগরিকদের মধ্যে বেশি।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলা, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক আশ্রয়প্রার্থীর ওপরও এই সিদ্ধান্তের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে চলমান কঠোরতার অংশ হিসেবে নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত শর্ত যুক্ত করা হচ্ছে। এখন থেকে স্বল্পমেয়াদি ভিসা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের কাছ থেকে এমন নিশ্চয়তা নেওয়া হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর তারা আশ্রয়ের আবেদন করবেন না।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা হিসেবে এটি বিবেচিত হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে আসা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নথি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে পরে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিদের ভিসা বাতিলের আওতায় আনার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিসা বাতিল হলেও এসব আবেদনকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। বরং তাদের ব্যবসায়ী বা পর্যটক হিসেবে থাকা বৈধতা বাতিল করে নতুন একটি আইনি শ্রেণির আওতায় নেওয়া হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর নীতিতে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে পড়েছেন চীনের নাগরিকেরা। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করার প্রবণতা চীনা নাগরিকদের মধ্যে বেশি।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলা, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক আশ্রয়প্রার্থীর ওপরও এই সিদ্ধান্তের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে চলমান কঠোরতার অংশ হিসেবে নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত শর্ত যুক্ত করা হচ্ছে। এখন থেকে স্বল্পমেয়াদি ভিসা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের কাছ থেকে এমন নিশ্চয়তা নেওয়া হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর তারা আশ্রয়ের আবেদন করবেন না।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন