ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক

ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক
ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের মোড়কে পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সতর্কতামূলক তথ্য প্রদর্শন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

খাবারে চিনি, লবণ ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলে ভোক্তারা যাতে সহজেই তা বুঝতে পারেন, সে উদ্দেশ্যে মোড়কের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ভারত। কিন্তু বড় খাদ্য ও পানীয় কোম্পানিগুলোর আপত্তির পর দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে।

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (এফএসএসএআই) গত আগস্টে জানায়, প্যাকেটের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না। পরিবর্তে সাদা-কালো ছকের মাধ্যমে পণ্যে চিনি, চর্বি ও লবণের পরিমাণ জানানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত নিয়েও অবশ্য প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বাস্থ্যকর্মীদের আবেদনের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কবার্তা থাকলে খাবার কেনার সময় ভোক্তারা আরও সচেতন হতে পারেন।

এ নিয়ে কয়েকটি পানীয়ের উদাহরণও সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বাইরে বাজারজাত করা কিছু পানীয়তে ক্যালোরি বা চিনির পরিমাণ কম। অথচ ভারতে একই ব্র্যান্ডের পানীয়তে চিনির পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেশি। এসব পানীয়তে কৃত্রিম রংও ব্যবহার করা হয়। এ কারণে ইউরোপে পণ্যের মোড়কে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কতা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ভারতে এসব তথ্য সাধারণত মোড়কের পেছনে ছোট অক্ষরে উল্লেখ করা হয়।

জনস্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, বড় ভোক্তাপণ্য কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্যাকেটজাত খাবারের সামনে বাধ্যতামূলক পুষ্টি সতর্কতা দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সহজ ও স্পষ্ট তথ্য থাকলে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া সহজ হবে।

বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে ইতোমধ্যে প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝার মতো পুষ্টি লেবেল চালু রয়েছে। এসব লেবেলে বেশি চিনি বা লবণের মাত্রা লাল এবং কম চর্বির মাত্রা সবুজ রঙে দেখানো হতে পারে।

ল্যান্সেট জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ৪৫ কোটি মানুষ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় আক্রান্ত হতে পারেন। এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে আরও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা রেকর্ডিং অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এফএসএসএআইয়ের একটি বৈঠকে সতর্কতামূলক লেবেল নিয়ে তীব্র আলোচনা হয়। সেখানে শিল্পখাতের কর্মকর্তারা দাবি করেন, এ ধরনের লেবেল ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং এর কার্যকারিতাও সীমিত হতে পারে।

কোকা-কোলা ইন্ডিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মিলি ভট্টাচার্য ওই বৈঠকে বলেন, যারা আগে থেকেই খাবারের উপাদানের তালিকা পড়েন না, তারা শুধু মোড়কের ওপর কোনো প্রতীক বা সতর্কবার্তা দেখেই খাদ্যাভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবেন—এমন ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল মানুষকে বেশি চিনি বা লবণযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখতে সক্ষম হবে না। তাঁর মতে, ভারতীয় চিকিৎসকেরা রোগীদের কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মোড়কের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কতামূলক লেবেল থাকলে খাবার কেনার সময় ভোক্তারা দ্রুত ও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ার জর্জ ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথের খাদ্যনীতি বিভাগের প্রধান সিমোন পেট্রিগিউ বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল চালু হলে খাদ্য কোম্পানিগুলোর মুনাফায় প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে কোম্পানিগুলো যতটা সম্ভব দীর্ঘ সময় এ ধরনের লেবেল ঠেকিয়ে রাখতে আগ্রহী।

তাঁর মতে, এর ফলে ভারতীয় ভোক্তারা কেনা খাবারটি কতটা স্বাস্থ্যকর, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দুই ডজনের বেশি দেশে খাবারের মোড়কের সামনে পুষ্টি লেবেল নিয়ে গবেষণা করা পেট্রিগিউ বলেন, বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর চাপ নিয়ন্ত্রকদের কঠোর নিয়ম চালুর প্রক্রিয়াকে অনেকটাই বাধাগ্রস্ত করেছে।

এফএসএসএআই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। সংস্থাটি জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের লেবেলসংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের বাজারের আকার ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। শিল্পখাতের হিসাবে, দেশটিতে উৎপাদিত প্রায় ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও চর্বির পরিমাণ বেশি হতে পারে।

২০১৭ সাল থেকে ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনে রঙের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর, তা বোঝাতে স্টার রেটিং চালুর প্রস্তাবও ছিল। তবে এখন পর্যন্ত খাবারের পেছনে উপাদান ও পুষ্টির তথ্য উল্লেখ করাই মূলত বাধ্যতামূলক রয়েছে।

একই ব্র্যান্ডের খাবার ও পানীয় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে—বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সচেতনতা বাড়ছে। ‘ফুড ফার্মার’ নামে পরিচিত রেভান্ত হিমাতসিংকা ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে প্যাকেটজাত খাবারের উপাদান নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন। তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।

বিভিন্ন দেশের একই ব্র্যান্ডের পণ্যের উপাদান তুলনা করে তিনি দেখান এবং ভারতীয় পণ্যে ব্যবহৃত উপাদান সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতন করার চেষ্টা করেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের মোড়কে পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সতর্কতামূলক তথ্য প্রদর্শন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

খাবারে চিনি, লবণ ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলে ভোক্তারা যাতে সহজেই তা বুঝতে পারেন, সে উদ্দেশ্যে মোড়কের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ভারত। কিন্তু বড় খাদ্য ও পানীয় কোম্পানিগুলোর আপত্তির পর দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে।

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (এফএসএসএআই) গত আগস্টে জানায়, প্যাকেটের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না। পরিবর্তে সাদা-কালো ছকের মাধ্যমে পণ্যে চিনি, চর্বি ও লবণের পরিমাণ জানানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত নিয়েও অবশ্য প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বাস্থ্যকর্মীদের আবেদনের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কবার্তা থাকলে খাবার কেনার সময় ভোক্তারা আরও সচেতন হতে পারেন।

এ নিয়ে কয়েকটি পানীয়ের উদাহরণও সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বাইরে বাজারজাত করা কিছু পানীয়তে ক্যালোরি বা চিনির পরিমাণ কম। অথচ ভারতে একই ব্র্যান্ডের পানীয়তে চিনির পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেশি। এসব পানীয়তে কৃত্রিম রংও ব্যবহার করা হয়। এ কারণে ইউরোপে পণ্যের মোড়কে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কতা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ভারতে এসব তথ্য সাধারণত মোড়কের পেছনে ছোট অক্ষরে উল্লেখ করা হয়।

জনস্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, বড় ভোক্তাপণ্য কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্যাকেটজাত খাবারের সামনে বাধ্যতামূলক পুষ্টি সতর্কতা দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সহজ ও স্পষ্ট তথ্য থাকলে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া সহজ হবে।

বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে ইতোমধ্যে প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝার মতো পুষ্টি লেবেল চালু রয়েছে। এসব লেবেলে বেশি চিনি বা লবণের মাত্রা লাল এবং কম চর্বির মাত্রা সবুজ রঙে দেখানো হতে পারে।

ল্যান্সেট জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ৪৫ কোটি মানুষ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় আক্রান্ত হতে পারেন। এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে আরও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা রেকর্ডিং অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এফএসএসএআইয়ের একটি বৈঠকে সতর্কতামূলক লেবেল নিয়ে তীব্র আলোচনা হয়। সেখানে শিল্পখাতের কর্মকর্তারা দাবি করেন, এ ধরনের লেবেল ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং এর কার্যকারিতাও সীমিত হতে পারে।

কোকা-কোলা ইন্ডিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মিলি ভট্টাচার্য ওই বৈঠকে বলেন, যারা আগে থেকেই খাবারের উপাদানের তালিকা পড়েন না, তারা শুধু মোড়কের ওপর কোনো প্রতীক বা সতর্কবার্তা দেখেই খাদ্যাভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবেন—এমন ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল মানুষকে বেশি চিনি বা লবণযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখতে সক্ষম হবে না। তাঁর মতে, ভারতীয় চিকিৎসকেরা রোগীদের কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মোড়কের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কতামূলক লেবেল থাকলে খাবার কেনার সময় ভোক্তারা দ্রুত ও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ার জর্জ ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথের খাদ্যনীতি বিভাগের প্রধান সিমোন পেট্রিগিউ বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল চালু হলে খাদ্য কোম্পানিগুলোর মুনাফায় প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে কোম্পানিগুলো যতটা সম্ভব দীর্ঘ সময় এ ধরনের লেবেল ঠেকিয়ে রাখতে আগ্রহী।

তাঁর মতে, এর ফলে ভারতীয় ভোক্তারা কেনা খাবারটি কতটা স্বাস্থ্যকর, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দুই ডজনের বেশি দেশে খাবারের মোড়কের সামনে পুষ্টি লেবেল নিয়ে গবেষণা করা পেট্রিগিউ বলেন, বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর চাপ নিয়ন্ত্রকদের কঠোর নিয়ম চালুর প্রক্রিয়াকে অনেকটাই বাধাগ্রস্ত করেছে।

এফএসএসএআই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। সংস্থাটি জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের লেবেলসংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের বাজারের আকার ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। শিল্পখাতের হিসাবে, দেশটিতে উৎপাদিত প্রায় ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও চর্বির পরিমাণ বেশি হতে পারে।

২০১৭ সাল থেকে ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনে রঙের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর, তা বোঝাতে স্টার রেটিং চালুর প্রস্তাবও ছিল। তবে এখন পর্যন্ত খাবারের পেছনে উপাদান ও পুষ্টির তথ্য উল্লেখ করাই মূলত বাধ্যতামূলক রয়েছে।

একই ব্র্যান্ডের খাবার ও পানীয় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে—বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সচেতনতা বাড়ছে। ‘ফুড ফার্মার’ নামে পরিচিত রেভান্ত হিমাতসিংকা ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে প্যাকেটজাত খাবারের উপাদান নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন। তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।

বিভিন্ন দেশের একই ব্র্যান্ডের পণ্যের উপাদান তুলনা করে তিনি দেখান এবং ভারতীয় পণ্যে ব্যবহৃত উপাদান সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতন করার চেষ্টা করেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক
0:00 0:00
1.0x