ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির প্রচারণার বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ নিয়ে গ্রাহকদের কনটেন্ট সরবরাহ করত। গ্রাহক আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।
ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তের পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে সুমাইয়াকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। তদন্তে আরও জানা গেছে, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে জানতেন এবং এতে বাধা না দিয়ে ওই আয়ের অর্থ নিয়মিত গ্রহণ করতেন।
এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত, চক্রটির মূল নেটওয়ার্ক শনাক্ত এবং পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির প্রচারণার বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ নিয়ে গ্রাহকদের কনটেন্ট সরবরাহ করত। গ্রাহক আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।
ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তের পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে সুমাইয়াকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। তদন্তে আরও জানা গেছে, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে জানতেন এবং এতে বাধা না দিয়ে ওই আয়ের অর্থ নিয়মিত গ্রহণ করতেন।
এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত, চক্রটির মূল নেটওয়ার্ক শনাক্ত এবং পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন