নতুন মোটরসাইকেলের তুলনায় কম দামে পাওয়া যায় বলে অনেকেই পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তবে বাহ্যিকভাবে ভালো দেখালেই মোটরসাইকেলটি ভালো—এমনটা ভাবা ঠিক নয়। সামান্য অসতর্কতায় পুরাতন মোটরসাইকেল কিনে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।
পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার আগে সবার আগে কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাই করা জরুরি। বিক্রেতার পরিচয় ও মালিকানার তথ্য মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাগজপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন নম্বর ও চেসিস নম্বর কাগজপত্রে থাকা তথ্যের সঙ্গে হুবহু মিলছে কি না নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এরপর পরীক্ষা করতে হবে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের অবস্থা। ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক শব্দ, অতিরিক্ত ধোঁয়া, তেল লিকেজ বা অস্বাভাবিক কম্পন রয়েছে কি না লক্ষ্য করতে হবে। সম্ভব হলে ঠান্ডা ইঞ্জিনে মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে পরীক্ষা করা ভালো।
এছাড়া গিয়ার, ক্লাচ, ব্রেক, সাসপেনশন, চেইন-স্প্রকেট ও টায়ার ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। হেডলাইট, ইন্ডিকেটর, ব্রেক লাইট, হর্ন, মিটার, ব্যাটারি ও সেলফ-স্টার্টসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশও পরীক্ষা করে নিতে হবে।
মোটরসাইকেলটি আগে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। চেসিস বাঁকা, অতিরিক্ত ওয়েল্ডিং, নতুন রং বা বড় ধরনের মেরামতের চিহ্ন থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, শুধু কম দাম বা সুন্দর চেহারা দেখে পুরাতন মোটরসাইকেল কেনা উচিত নয়। কেনার আগে কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিজ্ঞ মেকানিক দিয়ে ইঞ্জিন ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
তাই পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সময় নিয়ে প্রতিটি বিষয় যাচাই করুন। কয়েক মিনিটের সতর্কতা আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নতুন মোটরসাইকেলের তুলনায় কম দামে পাওয়া যায় বলে অনেকেই পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তবে বাহ্যিকভাবে ভালো দেখালেই মোটরসাইকেলটি ভালো—এমনটা ভাবা ঠিক নয়। সামান্য অসতর্কতায় পুরাতন মোটরসাইকেল কিনে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।
পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার আগে সবার আগে কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাই করা জরুরি। বিক্রেতার পরিচয় ও মালিকানার তথ্য মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাগজপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন নম্বর ও চেসিস নম্বর কাগজপত্রে থাকা তথ্যের সঙ্গে হুবহু মিলছে কি না নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এরপর পরীক্ষা করতে হবে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের অবস্থা। ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক শব্দ, অতিরিক্ত ধোঁয়া, তেল লিকেজ বা অস্বাভাবিক কম্পন রয়েছে কি না লক্ষ্য করতে হবে। সম্ভব হলে ঠান্ডা ইঞ্জিনে মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে পরীক্ষা করা ভালো।
এছাড়া গিয়ার, ক্লাচ, ব্রেক, সাসপেনশন, চেইন-স্প্রকেট ও টায়ার ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। হেডলাইট, ইন্ডিকেটর, ব্রেক লাইট, হর্ন, মিটার, ব্যাটারি ও সেলফ-স্টার্টসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশও পরীক্ষা করে নিতে হবে।
মোটরসাইকেলটি আগে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। চেসিস বাঁকা, অতিরিক্ত ওয়েল্ডিং, নতুন রং বা বড় ধরনের মেরামতের চিহ্ন থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, শুধু কম দাম বা সুন্দর চেহারা দেখে পুরাতন মোটরসাইকেল কেনা উচিত নয়। কেনার আগে কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিজ্ঞ মেকানিক দিয়ে ইঞ্জিন ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
তাই পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সময় নিয়ে প্রতিটি বিষয় যাচাই করুন। কয়েক মিনিটের সতর্কতা আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন