গত ২১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত গাজীপুরের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল—‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’।
সোমবার শিবিরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কলেজ জীবনের বৃহত্তর শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের মানসিক, ভাষাগত ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ নিবিড় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে প্রতিদিন ইংরেজি ও কম্পিউটারের ওপর মোট ৪০টি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, বিষয়ভিত্তিক স্টাডি সেশন, মোটিভেশনাল ক্লাস এবং ইনোভেটিভ গেমসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সমাপনীসহ বিভিন্ন সেশনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আধুনিক সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত ও একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আত্মিক পবিত্রতা এবং স্রষ্টার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকা জরুরি। এগুলো ছাড়া প্রকৃত সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের আদর্শ নেতৃত্বের জন্য সঠিক চরিত্র ও সঠিক দিকনির্দেশনার সমন্বয় প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের অর্জন হলেও এটিই শেষ লক্ষ্য নয়। ‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক দৃঢ়তার সমন্বয় ঘটাতে হবে। আগামীর ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরই পালন করতে হবে বলে তিনি জানান।
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ বিপুল সম্ভাবনাময় একটি দেশ। দেশের মানবসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম এমপি ও জাহিদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাসহ অন্যরা।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত গাজীপুরের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল—‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’।
সোমবার শিবিরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কলেজ জীবনের বৃহত্তর শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের মানসিক, ভাষাগত ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ নিবিড় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে প্রতিদিন ইংরেজি ও কম্পিউটারের ওপর মোট ৪০টি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, বিষয়ভিত্তিক স্টাডি সেশন, মোটিভেশনাল ক্লাস এবং ইনোভেটিভ গেমসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সমাপনীসহ বিভিন্ন সেশনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আধুনিক সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত ও একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আত্মিক পবিত্রতা এবং স্রষ্টার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকা জরুরি। এগুলো ছাড়া প্রকৃত সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের আদর্শ নেতৃত্বের জন্য সঠিক চরিত্র ও সঠিক দিকনির্দেশনার সমন্বয় প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের অর্জন হলেও এটিই শেষ লক্ষ্য নয়। ‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক দৃঢ়তার সমন্বয় ঘটাতে হবে। আগামীর ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরই পালন করতে হবে বলে তিনি জানান।
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ বিপুল সম্ভাবনাময় একটি দেশ। দেশের মানবসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম এমপি ও জাহিদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাসহ অন্যরা।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন