আল-মায়াদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থার স্বনির্ভরতা ও দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন এই সামরিক কর্মকর্তা।
নাকদি জানান, ইরানের নিজস্ব ভূগর্ভস্থ উৎপাদনকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে এবং অত্যন্ত কার্যকর গতিতে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। সামরিক অভিযানে যত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি প্রধান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মূল্যায়নধর্মী প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের সেই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানের শক্তিশালী ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ক এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মগুলো পুরোপুরি অকার্যকর করতে পারেনি।
বরং এসব প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী ভূরাজনৈতিক সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদেও বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, ইরানের ধারাবাহিক ও বিভিন্ন ধরনের হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে উচ্চস্তরের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে।
তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প যে গতিতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উৎপাদন করছে, তার তুলনায় সেগুলো অনেক দ্রুত ব্যবহৃত হয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন প্রশাসনের ওপর উল্লেখযোগ্য কৌশলগত ও সামরিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আল-মায়াদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থার স্বনির্ভরতা ও দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন এই সামরিক কর্মকর্তা।
নাকদি জানান, ইরানের নিজস্ব ভূগর্ভস্থ উৎপাদনকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে এবং অত্যন্ত কার্যকর গতিতে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। সামরিক অভিযানে যত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি প্রধান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মূল্যায়নধর্মী প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের সেই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানের শক্তিশালী ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ক এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মগুলো পুরোপুরি অকার্যকর করতে পারেনি।
বরং এসব প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী ভূরাজনৈতিক সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদেও বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, ইরানের ধারাবাহিক ও বিভিন্ন ধরনের হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে উচ্চস্তরের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে।
তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প যে গতিতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উৎপাদন করছে, তার তুলনায় সেগুলো অনেক দ্রুত ব্যবহৃত হয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন প্রশাসনের ওপর উল্লেখযোগ্য কৌশলগত ও সামরিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন