মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে একটি মুক্ত ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরেন। তবে একই সঙ্গে দেশের মানুষকে এই পরিবর্তন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, শুধু আইন বা কোনো ব্যবস্থা চালু করলেই পরিবর্তন সম্পূর্ণ হয় না; মানুষের নৈতিক ও আত্মিক উন্নয়নও জরুরি।
তিনি বলেন, কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় মানুষ যেন নিজেদের পরিবর্তনের অংশ মনে করতে পারে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার সৌভাগ্য যেন সবাই অর্জন করতে পারেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ধর্মের পরিচয়কে কেন্দ্র করে সমাজে বিভাজন তৈরি করে অশান্তি সৃষ্টি করার কোনো লক্ষ্য তাদের নেই। বরং ইসলামের শিক্ষা অনুসরণ করে বাস্তব জীবনে সম্প্রীতি ও শান্তির উদাহরণ তৈরি করতে চান তারা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান এবং সহাবস্থান বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
কওমি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়েও বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কওমি আলেম ও শিক্ষার্থীদের তারা পৃথকভাবে দেখেন না। তাদের অধিকার ও স্বার্থের বিষয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলাকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করেন তারা।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তাদের অধিকারের বিষয়ে কথা বলা হয় না। বরং নৈতিক দায়িত্ব ও বিবেকের তাগিদ থেকেই এ বিষয়ে তারা অবস্থান নেন। ভবিষ্যতেও একই অবস্থান ধরে রাখার কথা জানান তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, কর্মপরিষদ সদস্য জয়নুল আবেদিন এবং সাবেক বিচারপতি সাঈদ শাহেদুর রহমানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সূত্র: মাতৃভূমির খবর

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে একটি মুক্ত ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরেন। তবে একই সঙ্গে দেশের মানুষকে এই পরিবর্তন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, শুধু আইন বা কোনো ব্যবস্থা চালু করলেই পরিবর্তন সম্পূর্ণ হয় না; মানুষের নৈতিক ও আত্মিক উন্নয়নও জরুরি।
তিনি বলেন, কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় মানুষ যেন নিজেদের পরিবর্তনের অংশ মনে করতে পারে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার সৌভাগ্য যেন সবাই অর্জন করতে পারেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ধর্মের পরিচয়কে কেন্দ্র করে সমাজে বিভাজন তৈরি করে অশান্তি সৃষ্টি করার কোনো লক্ষ্য তাদের নেই। বরং ইসলামের শিক্ষা অনুসরণ করে বাস্তব জীবনে সম্প্রীতি ও শান্তির উদাহরণ তৈরি করতে চান তারা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান এবং সহাবস্থান বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
কওমি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়েও বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কওমি আলেম ও শিক্ষার্থীদের তারা পৃথকভাবে দেখেন না। তাদের অধিকার ও স্বার্থের বিষয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলাকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করেন তারা।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তাদের অধিকারের বিষয়ে কথা বলা হয় না। বরং নৈতিক দায়িত্ব ও বিবেকের তাগিদ থেকেই এ বিষয়ে তারা অবস্থান নেন। ভবিষ্যতেও একই অবস্থান ধরে রাখার কথা জানান তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, কর্মপরিষদ সদস্য জয়নুল আবেদিন এবং সাবেক বিচারপতি সাঈদ শাহেদুর রহমানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সূত্র: মাতৃভূমির খবর

আপনার মতামত লিখুন