শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর আগে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ সকালে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে আমরা উপস্থিত হয়েছি। এখান থেকেই ১১ দলীয় ঐক্যের ঐতিহাসিক লংমার্চ শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকাবাসীর কাছ থেকে বিদায় নিতে আমরা এখানে এসেছি। এই ঐতিহাসিক লংমার্চের জন্য সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আজ যত বাধা-বিপত্তিই আসুক, ইনশাআল্লাহ আমাদের লংমার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবেই।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা দেশের মানুষ ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় একত্রিত হয়েছিল এবং স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হওয়ার পথে যাচ্ছে, তাদের সেই পথ বন্ধ করাই এর উদ্দেশ্য।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এই লংমার্চ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে যারা দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও এই লংমার্চ। পাশাপাশি ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে যারা প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও এ কর্মসূচি।
জনগণের প্রতি লংমার্চে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা দলে দলে এই লংমার্চে অংশ নিন। এটি শুধু ১১টি দলের লংমার্চ নয়; এই লংমার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের।
সূত্র: বাংলাভিশন

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর আগে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ সকালে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে আমরা উপস্থিত হয়েছি। এখান থেকেই ১১ দলীয় ঐক্যের ঐতিহাসিক লংমার্চ শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকাবাসীর কাছ থেকে বিদায় নিতে আমরা এখানে এসেছি। এই ঐতিহাসিক লংমার্চের জন্য সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আজ যত বাধা-বিপত্তিই আসুক, ইনশাআল্লাহ আমাদের লংমার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবেই।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা দেশের মানুষ ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় একত্রিত হয়েছিল এবং স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হওয়ার পথে যাচ্ছে, তাদের সেই পথ বন্ধ করাই এর উদ্দেশ্য।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এই লংমার্চ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে যারা দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও এই লংমার্চ। পাশাপাশি ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে যারা প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও এ কর্মসূচি।
জনগণের প্রতি লংমার্চে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা দলে দলে এই লংমার্চে অংশ নিন। এটি শুধু ১১টি দলের লংমার্চ নয়; এই লংমার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের।
সূত্র: বাংলাভিশন

আপনার মতামত লিখুন