জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে যারা কাজ করেছেন, তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী বা সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির নেতারা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দশমিনা উপজেলা বিএনপির নলখোলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এ বক্তব্য দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সদস্য হাসান মামুনের সমর্থক নেতাদের দেওয়া আগের একটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন দশমিনা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ শাহ আলম শানু। তিনি বলেন, ‘আপনারা ব্যক্তিবন্দনার রাজনীতি করেন, আর আমরা দল ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মেনে রাজনীতি করি। সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী করেছি।’
লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিরোধী পক্ষ বিএনপির নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য ও চর দখলের মতো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দশমিনা-গলাচিপা আসনে একজন প্রতিমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন। এর ফলে ওই দুই উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে তারা দাবি করেন।
বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ালে তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
পরে হাসান মামুনের সমর্থকদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান উপজেলা বিএনপির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিদ্দিক আহমেদ মোল্লা, সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান জোমাদ্দার, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হাই সিকদার, আমীন হাওলাদার, বাচ্চু সিকদার, মজিবর রহমান প্যাদা এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন হাসান মামুন সমর্থিত অংশের নেতা এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদল।
প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে কোনো কমিটিতে বা ক্ষমতায় নেই। তাদের আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন; প্রকৃতপক্ষে তারাই সব সুবিধা ভাগবাটোয়ারা ও লুটপাট করছেন।’
তিনি সংবাদ সম্মেলনে করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তার পক্ষের অবস্থান তুলে ধরেন।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে যারা কাজ করেছেন, তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী বা সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির নেতারা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দশমিনা উপজেলা বিএনপির নলখোলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এ বক্তব্য দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সদস্য হাসান মামুনের সমর্থক নেতাদের দেওয়া আগের একটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন দশমিনা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ শাহ আলম শানু। তিনি বলেন, ‘আপনারা ব্যক্তিবন্দনার রাজনীতি করেন, আর আমরা দল ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মেনে রাজনীতি করি। সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী করেছি।’
লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিরোধী পক্ষ বিএনপির নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য ও চর দখলের মতো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দশমিনা-গলাচিপা আসনে একজন প্রতিমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন। এর ফলে ওই দুই উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে তারা দাবি করেন।
বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ালে তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
পরে হাসান মামুনের সমর্থকদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান উপজেলা বিএনপির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিদ্দিক আহমেদ মোল্লা, সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান জোমাদ্দার, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হাই সিকদার, আমীন হাওলাদার, বাচ্চু সিকদার, মজিবর রহমান প্যাদা এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন হাসান মামুন সমর্থিত অংশের নেতা এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদল।
প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে কোনো কমিটিতে বা ক্ষমতায় নেই। তাদের আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন; প্রকৃতপক্ষে তারাই সব সুবিধা ভাগবাটোয়ারা ও লুটপাট করছেন।’
তিনি সংবাদ সম্মেলনে করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তার পক্ষের অবস্থান তুলে ধরেন।

আপনার মতামত লিখুন