শনিবার মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইরানের একাধিক হামলা সফলভাবে এড়িয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোনো মার্কিন সেনা আহত হয়নি বলেও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খার্গ দ্বীপের উপকূলে এম/টি ডাউনি এবং জাস্কের কাছে এম/টি স্টার্ক ১-কে স্থায়ীভাবে অচল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এছাড়া জাহাজের নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর ওমান উপসাগরে থাকা খালি এম/টি কাইলো, যা ‘নক্সেন’ নামেও পরিচিত, সেটিও ধ্বংস করা হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, জাহাজগুলো ‘বহু বিলিয়ন ডলারের ছায়া নেটওয়ার্ক’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই নেটওয়ার্ক কথিতভাবে আইআরজিসি এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে ব্যবহৃত হতো।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, আইআরজিসির জন্য বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া উচিত—তারা যদি যুক্তরাষ্ট্রের দুটি জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে আরও বড় অর্থনৈতিক মূল্য চাপিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো দ্বিধা করবে না। প্রয়োজন হলে ইরানের সীমিত ও অরক্ষিত তেলবাহী বহর ধ্বংস করা হবে বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ইসরায়েল এবং বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত ১৮ জুন হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। তবে প্রণালির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধের কারণে ওই সমঝোতার বাস্তবায়ন স্থবির হয়ে আছে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইরানের একাধিক হামলা সফলভাবে এড়িয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোনো মার্কিন সেনা আহত হয়নি বলেও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খার্গ দ্বীপের উপকূলে এম/টি ডাউনি এবং জাস্কের কাছে এম/টি স্টার্ক ১-কে স্থায়ীভাবে অচল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এছাড়া জাহাজের নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর ওমান উপসাগরে থাকা খালি এম/টি কাইলো, যা ‘নক্সেন’ নামেও পরিচিত, সেটিও ধ্বংস করা হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, জাহাজগুলো ‘বহু বিলিয়ন ডলারের ছায়া নেটওয়ার্ক’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই নেটওয়ার্ক কথিতভাবে আইআরজিসি এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে ব্যবহৃত হতো।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, আইআরজিসির জন্য বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া উচিত—তারা যদি যুক্তরাষ্ট্রের দুটি জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে আরও বড় অর্থনৈতিক মূল্য চাপিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো দ্বিধা করবে না। প্রয়োজন হলে ইরানের সীমিত ও অরক্ষিত তেলবাহী বহর ধ্বংস করা হবে বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ইসরায়েল এবং বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত ১৮ জুন হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। তবে প্রণালির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধের কারণে ওই সমঝোতার বাস্তবায়ন স্থবির হয়ে আছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন