চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মায়ের হাত ধরে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ইঞ্জিনচালিত অবৈধ ট্রলির ধাক্কায় ফারিয়া নামে তিন বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।
রোববার ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মতলব উত্তর থানার পূর্ব পাশে সুরুজ প্লাজার সামনে পাকা সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফারিয়া উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বেপারী বাড়ির কাউসার বেপারীর মেয়ে। তার মায়ের নাম ফারজানা আক্তার।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ফারিয়া মায়ের হাত ধরে ছেংগারচর বাজারে সুরুজ প্লাজার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয় শিশুটি। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।দুর্ঘটনার পর ট্রলির চালক পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলি গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিহত শিশুর মা ফারজানা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ে আমার হাত ধরে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ট্রলিটি এসে তাকে ধাক্কা দেয়। চোখের সামনে আমার মেয়েটা পড়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার বললেন, আমার মেয়ে আর নেই। যারা এভাবে বেপরোয়া গাড়ি চালায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।স্থানীয়রা বলছেন, শুধু দুর্ঘটনার পর ব্যবস্থা নিলেই হবে না, জনবহুল সড়কে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। তাদের দাবি, ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে দ্রুত গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অবৈধ ট্রলির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মায়ের হাত ধরে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ইঞ্জিনচালিত অবৈধ ট্রলির ধাক্কায় ফারিয়া নামে তিন বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।
রোববার ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মতলব উত্তর থানার পূর্ব পাশে সুরুজ প্লাজার সামনে পাকা সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফারিয়া উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বেপারী বাড়ির কাউসার বেপারীর মেয়ে। তার মায়ের নাম ফারজানা আক্তার।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ফারিয়া মায়ের হাত ধরে ছেংগারচর বাজারে সুরুজ প্লাজার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয় শিশুটি। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।দুর্ঘটনার পর ট্রলির চালক পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলি গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিহত শিশুর মা ফারজানা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ে আমার হাত ধরে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ট্রলিটি এসে তাকে ধাক্কা দেয়। চোখের সামনে আমার মেয়েটা পড়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার বললেন, আমার মেয়ে আর নেই। যারা এভাবে বেপরোয়া গাড়ি চালায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।স্থানীয়রা বলছেন, শুধু দুর্ঘটনার পর ব্যবস্থা নিলেই হবে না, জনবহুল সড়কে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। তাদের দাবি, ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে দ্রুত গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অবৈধ ট্রলির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন