নওগাঁর পোরশা উপজেলায় ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। রাতে কৃষিজমিতে স্থাপন করা এ আলোর ফাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকামাকড় আকৃষ্ট করে শনাক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ছবিতে দেখা যায়, কৃষিজমির পাশে বাঁশের তৈরি কাঠামোর ওপর আলো স্থাপন করে নিচে পানির পাত্র রাখা হয়েছে। আলোর আকর্ষণে পোকামাকড় এসে পানিতে পড়ে আটকে যায়। এভাবে জমিতে কোন কোন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসওভিপি আব্দুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফজাল হোসেনসহ স্থানীয় সাধারণ কৃষকরা। কৃষি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কৃষকরাও সরাসরি আলোর ফাঁদ স্থাপন ও এর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আলোর ফাঁদ কৃষিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। ফলে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ ও টেকসই কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রাখা সম্ভব।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন। কৃষি অফিসের এমন উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। রাতে কৃষিজমিতে স্থাপন করা এ আলোর ফাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকামাকড় আকৃষ্ট করে শনাক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ছবিতে দেখা যায়, কৃষিজমির পাশে বাঁশের তৈরি কাঠামোর ওপর আলো স্থাপন করে নিচে পানির পাত্র রাখা হয়েছে। আলোর আকর্ষণে পোকামাকড় এসে পানিতে পড়ে আটকে যায়। এভাবে জমিতে কোন কোন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসওভিপি আব্দুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফজাল হোসেনসহ স্থানীয় সাধারণ কৃষকরা। কৃষি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কৃষকরাও সরাসরি আলোর ফাঁদ স্থাপন ও এর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আলোর ফাঁদ কৃষিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। ফলে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ ও টেকসই কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রাখা সম্ভব।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন। কৃষি অফিসের এমন উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন