ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

ইন্ধন’ নয়, জীবিকার তাগিদ - কাজী ফার্মসের ফিডমিলে শ্রমিকের ক্ষোভের গল্প

ইন্ধন’ নয়, জীবিকার তাগিদ - কাজী ফার্মসের ফিডমিলে শ্রমিকের ক্ষোভের গল্প
ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের বোদায় কাজী ফার্মসের ফিডমিলে ১৫ সেপ্টেম্বরের শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনার পর এখন যেন দৃশ্যমান তালাবদ্ধ ফটকের আড়ালে চাপা পড়েছে পেটের দায়ে কর্ম হারানো মানুষের গল্প।


১. স্থানীয় এলাকাবাসীর কর্মসংস্থান,

২. অবৈধভাবে স্থানীয় শ্রমিক ছাঁটাই

৩. স্থানীয় সাপ্লাইয়ার অগ্রাধীকার

এই তিনটি দাবির প্রেক্ষিতে আন্দোলন।

শ্রমিকদের দাবি, কোনো লিখিত কারণ দর্শানো, পূর্ব নোটিশ কিংবা শ্রম আইন অনুসরণের তোয়াক্কা না করেই মৌখিকভাবে তাদের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দিনের পর দিন জমতে থাকা সেই ক্ষোভেই শেষ পর্যন্ত বিস্ফোরিত হয় আন্দোলনে।কাজী ফার্মস কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ঘটনাটি মূলত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হিসেবে উঠে এসেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিক ইন্ধনের কথাও আলোচিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্য এবং ঘটনার আগের প্রেক্ষাপট বলছে, ক্ষোভের শিকড় খুঁজতে হলে কারখানার ভেতরে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও ছাঁটাইয়ের অভিযোগের দিকেও তাকাতে হবে।

স্থানীয় শ্রমিকদের ভাষ্য, তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কারখানার সামনে দাঁড়াননি। তাদের দাবি ছিল খুবই সাধারণ, কর্মসংস্থান  যেন থাকে।

কারণ তাদের কাছে চাকরি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়; চাকরি মানে ঘরে চাল, সন্তানের মুখে খাবার, অসুস্থ বাবা-মায়ের ওষুধ কিংবা মাসের শেষে ভাড়ার টাকা।

ছাঁটাইয়ের অভিযোগ করা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন ভেল্লাইপাড়ার আসাদুল আসাদ, হরিপুরের মো. তানিন হোসেন, মন্নাপাড়ার রবিউল ইসলাম, একই এলাকার মো. রুবেল ইসলাম, বোদার বেলাল হোসেন, মণ্ডলের হাটের মো. আলম এবং মন্নাপাড়ার মো. কাদের। তারা সবাই ডেইলি লেবার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে মৌখিকভাবে তাদের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে শ্রম আইনের বিধানও অনুসরণ করা হয়নি।

এই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে পারে তাদের নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র, হাজিরা রেজিস্টার, মজুরি পরিশোধের হিসাব এবং কাজ বন্ধের সিদ্ধান্তের কোনো লিখিত রেকর্ড।

ঘটনার পর কাজী ফার্মস জানিয়েছে, পঞ্চগড়ের ফিডমিলে বর্তমানে ৩৭০ জন কর্মী কাজ করছেন। এর মধ্যে ১৩৫ জন পঞ্চগড়ের বাসিন্দা। গত ছয় মাসে কোনো কর্মী ছাঁটাই করা হয়নি বলেও প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে।

কিন্তু মাঠের চিত্রে সেই দাবির সঙ্গে শ্রমিকদের বক্তব্যের বড় ধরনের ফারাক দেখা যাচ্ছে। যে  শ্রমিকদের নাম স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে, তারা কাজ হারানোর কথা বলছেন। তারা বলছেন, তাদের বাদ দেওয়ার সময় কোনো লিখিত কারণ জানানো হয়নি।

অর্থাৎ প্রশ্নটি এখন শুধু ‘ছাঁটাই হয়েছে কি হয়নি’ তা নয়; বরং কাজী ফার্মসের নথিতে যাদের কর্মী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না, বাস্তবে তারা সেখানে কীভাবে এবং কোন শর্তে কাজ করতেন?

স্থানীয় শ্রমিকদের অভিযোগ, ক্ষোভ জমলেও তা নিরসনে কার্যকর কোনো আলোচনার উদ্যোগ তারা দেখতে পাননি।

শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা কাজ হারানোর বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ শোনার পরিবর্তে পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাকর্মীদের সামনে আনা হয়। এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা রক্ষা যেমন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব, তেমনি শ্রমিক অসন্তোষকে আলোচনার টেবিলে এনে সমাধানের চেষ্টাও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বের অংশ।

ঘটনার পর রাজনৈতিক ইন্ধনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন বাস্তবতা।

তাদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের নির্দেশে নয়, কাজ হারানোর আশঙ্কা এবং জীবিকার তাগিদেই মাঠে নেমেছিলেন।

তাদের আহাজারি হল: শ্রমিকের ক্ষোভকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া সহজ; কিন্তু সেই ক্ষোভের জন্ম কোথায়, সেটি অনুসন্ধান করুন!

ঘটনার সময় পরিস্থিতি যখন দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল, তখন স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ঘটনার পর বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন।

১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর থেকে এখনো ফিডমিলটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ঘটনার পর কাজী ফার্মসের হেড অফিস থেকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বোদায় এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ছাঁটাইয়ের অভিযোগ করা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন, তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছেন এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছ থেকেও ঘটনার বিষয়ে তথ্য নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী কোনো কারণ না দেখিয়ে মৌখিকভাবে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকলে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল? 

কোনো কারখানার দেয়ালে ফাটল ধরার আগে মানুষের মনে ফাটল ধরে। আর সেই ফাটল সময়মতো মেরামত না করলে একদিন তার শব্দ ছড়িয়ে পড়ে কারখানার ফটক পেরিয়ে অনেক দূর।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইন্ধন’ নয়, জীবিকার তাগিদ - কাজী ফার্মসের ফিডমিলে শ্রমিকের ক্ষোভের গল্প

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ের বোদায় কাজী ফার্মসের ফিডমিলে ১৫ সেপ্টেম্বরের শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনার পর এখন যেন দৃশ্যমান তালাবদ্ধ ফটকের আড়ালে চাপা পড়েছে পেটের দায়ে কর্ম হারানো মানুষের গল্প।


১. স্থানীয় এলাকাবাসীর কর্মসংস্থান,

২. অবৈধভাবে স্থানীয় শ্রমিক ছাঁটাই

৩. স্থানীয় সাপ্লাইয়ার অগ্রাধীকার

এই তিনটি দাবির প্রেক্ষিতে আন্দোলন।

শ্রমিকদের দাবি, কোনো লিখিত কারণ দর্শানো, পূর্ব নোটিশ কিংবা শ্রম আইন অনুসরণের তোয়াক্কা না করেই মৌখিকভাবে তাদের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দিনের পর দিন জমতে থাকা সেই ক্ষোভেই শেষ পর্যন্ত বিস্ফোরিত হয় আন্দোলনে।কাজী ফার্মস কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ঘটনাটি মূলত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হিসেবে উঠে এসেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিক ইন্ধনের কথাও আলোচিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্য এবং ঘটনার আগের প্রেক্ষাপট বলছে, ক্ষোভের শিকড় খুঁজতে হলে কারখানার ভেতরে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও ছাঁটাইয়ের অভিযোগের দিকেও তাকাতে হবে।

স্থানীয় শ্রমিকদের ভাষ্য, তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কারখানার সামনে দাঁড়াননি। তাদের দাবি ছিল খুবই সাধারণ, কর্মসংস্থান  যেন থাকে।

কারণ তাদের কাছে চাকরি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়; চাকরি মানে ঘরে চাল, সন্তানের মুখে খাবার, অসুস্থ বাবা-মায়ের ওষুধ কিংবা মাসের শেষে ভাড়ার টাকা।

ছাঁটাইয়ের অভিযোগ করা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন ভেল্লাইপাড়ার আসাদুল আসাদ, হরিপুরের মো. তানিন হোসেন, মন্নাপাড়ার রবিউল ইসলাম, একই এলাকার মো. রুবেল ইসলাম, বোদার বেলাল হোসেন, মণ্ডলের হাটের মো. আলম এবং মন্নাপাড়ার মো. কাদের। তারা সবাই ডেইলি লেবার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে মৌখিকভাবে তাদের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে শ্রম আইনের বিধানও অনুসরণ করা হয়নি।

এই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে পারে তাদের নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র, হাজিরা রেজিস্টার, মজুরি পরিশোধের হিসাব এবং কাজ বন্ধের সিদ্ধান্তের কোনো লিখিত রেকর্ড।

ঘটনার পর কাজী ফার্মস জানিয়েছে, পঞ্চগড়ের ফিডমিলে বর্তমানে ৩৭০ জন কর্মী কাজ করছেন। এর মধ্যে ১৩৫ জন পঞ্চগড়ের বাসিন্দা। গত ছয় মাসে কোনো কর্মী ছাঁটাই করা হয়নি বলেও প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে।

কিন্তু মাঠের চিত্রে সেই দাবির সঙ্গে শ্রমিকদের বক্তব্যের বড় ধরনের ফারাক দেখা যাচ্ছে। যে  শ্রমিকদের নাম স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে, তারা কাজ হারানোর কথা বলছেন। তারা বলছেন, তাদের বাদ দেওয়ার সময় কোনো লিখিত কারণ জানানো হয়নি।

অর্থাৎ প্রশ্নটি এখন শুধু ‘ছাঁটাই হয়েছে কি হয়নি’ তা নয়; বরং কাজী ফার্মসের নথিতে যাদের কর্মী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না, বাস্তবে তারা সেখানে কীভাবে এবং কোন শর্তে কাজ করতেন?

স্থানীয় শ্রমিকদের অভিযোগ, ক্ষোভ জমলেও তা নিরসনে কার্যকর কোনো আলোচনার উদ্যোগ তারা দেখতে পাননি।

শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা কাজ হারানোর বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ শোনার পরিবর্তে পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাকর্মীদের সামনে আনা হয়। এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা রক্ষা যেমন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব, তেমনি শ্রমিক অসন্তোষকে আলোচনার টেবিলে এনে সমাধানের চেষ্টাও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বের অংশ।

ঘটনার পর রাজনৈতিক ইন্ধনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন বাস্তবতা।

তাদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের নির্দেশে নয়, কাজ হারানোর আশঙ্কা এবং জীবিকার তাগিদেই মাঠে নেমেছিলেন।

তাদের আহাজারি হল: শ্রমিকের ক্ষোভকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া সহজ; কিন্তু সেই ক্ষোভের জন্ম কোথায়, সেটি অনুসন্ধান করুন!

ঘটনার সময় পরিস্থিতি যখন দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল, তখন স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ঘটনার পর বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন।

১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর থেকে এখনো ফিডমিলটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ঘটনার পর কাজী ফার্মসের হেড অফিস থেকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বোদায় এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ছাঁটাইয়ের অভিযোগ করা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন, তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছেন এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছ থেকেও ঘটনার বিষয়ে তথ্য নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী কোনো কারণ না দেখিয়ে মৌখিকভাবে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকলে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল? 

কোনো কারখানার দেয়ালে ফাটল ধরার আগে মানুষের মনে ফাটল ধরে। আর সেই ফাটল সময়মতো মেরামত না করলে একদিন তার শব্দ ছড়িয়ে পড়ে কারখানার ফটক পেরিয়ে অনেক দূর।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ইন্ধন’ নয়, জীবিকার তাগিদ - কাজী ফার্মসের ফিডমিলে শ্রমিকের ক্ষোভের গল্প
0:00 0:00
1.0x