বছরে উৎপাদন হবে ২৪ হাজার টন সুতা ও ২ কোটি মিটার ওভেন ফেব্রিকস, কর্মসংস্থান হবে ৫৮০ জনের
বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে (BEPZA EZ) প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা (৩ কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগে অত্যাধুনিক বস্ত্র কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনের হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড (Huarun Tex Co. Ltd.)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি পূর্ণাঙ্গভাবে উৎপাদনে গেলে বছরে প্রায় ২৪ হাজার টন সুতা এবং ২ কোটি মিটার ওভেন ফেব্রিকস উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এতে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের স্থানীয় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি যেমন গতিশীল হবে, তেমনি শিল্পাঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এ প্রকল্পের জন্য ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ আরও শক্তিশালী করতে এই বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে সুতা ও ওভেন ফেব্রিকসের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। নতুন এই কারখানা উৎপাদনে এলে স্থানীয়ভাবে কাঁচামালের সরবরাহ বাড়বে, যা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের বিদেশি বিনিয়োগ শুধু নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই নয়, বরং দেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পাশাপাশি বস্ত্রশিল্পে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার মাধ্যমে দেশের শিল্পখাত আরও শক্তিশালী হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চীনা প্রতিষ্ঠানের এই বিনিয়োগকে দেশের বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিল্পখাতের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বছরে উৎপাদন হবে ২৪ হাজার টন সুতা ও ২ কোটি মিটার ওভেন ফেব্রিকস, কর্মসংস্থান হবে ৫৮০ জনের
বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে (BEPZA EZ) প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা (৩ কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগে অত্যাধুনিক বস্ত্র কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনের হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড (Huarun Tex Co. Ltd.)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি পূর্ণাঙ্গভাবে উৎপাদনে গেলে বছরে প্রায় ২৪ হাজার টন সুতা এবং ২ কোটি মিটার ওভেন ফেব্রিকস উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এতে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের স্থানীয় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি যেমন গতিশীল হবে, তেমনি শিল্পাঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এ প্রকল্পের জন্য ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ আরও শক্তিশালী করতে এই বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে সুতা ও ওভেন ফেব্রিকসের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। নতুন এই কারখানা উৎপাদনে এলে স্থানীয়ভাবে কাঁচামালের সরবরাহ বাড়বে, যা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের বিদেশি বিনিয়োগ শুধু নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই নয়, বরং দেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পাশাপাশি বস্ত্রশিল্পে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার মাধ্যমে দেশের শিল্পখাত আরও শক্তিশালী হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চীনা প্রতিষ্ঠানের এই বিনিয়োগকে দেশের বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিল্পখাতের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।

আপনার মতামত লিখুন