বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আন্তোনিও গুতেরেস। তার বর্তমান মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইনফান্তিনোর গ্রহণযোগ্যতা এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার সক্ষমতাকে ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য একটি ইতিবাচক যোগ্যতা হিসেবে দেখছেন।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের ভাষ্য, ফিফা সভাপতি বিশ্বব্যাপী পরিচিত একজন ব্যক্তি এবং অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের মানুষকে একত্রিত করার দক্ষতা তার রয়েছে।
২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোর সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ প্রদান করার পর তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলেও জানানো হয়।
তবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইনফান্তিনো ফিফার সভাপতির দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সুপারিশ প্রয়োজন হয়। পরে সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেট এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসির নামও উঠে এসেছে।
ট্রাম্পের বৈশ্বিক অংশীদারত্ববিষয়ক বিশেষ দূত পাওলো জাম্পাওলি ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তার মতে, ফিফার মতো একটি বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচালনার অভিজ্ঞতা ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের সক্ষমতার প্রমাণ।
নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া বক্তব্যে জাম্পাওলি বলেন, জাতিসংঘে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র থাকলেও ফিফার অধীনে ২০০টির বেশি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। তার মতে, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অতীতে দেখিয়েছেন যে তিনি একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে সক্ষম।
এদিকে এই জল্পনার মধ্যেই ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, তিনি আবারও ফিফা সভাপতির পদে নির্বাচন করবেন। আগামী বছরের মার্চে সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ফিফার কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আন্তোনিও গুতেরেস। তার বর্তমান মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইনফান্তিনোর গ্রহণযোগ্যতা এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার সক্ষমতাকে ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য একটি ইতিবাচক যোগ্যতা হিসেবে দেখছেন।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের ভাষ্য, ফিফা সভাপতি বিশ্বব্যাপী পরিচিত একজন ব্যক্তি এবং অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের মানুষকে একত্রিত করার দক্ষতা তার রয়েছে।
২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোর সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ প্রদান করার পর তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলেও জানানো হয়।
তবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইনফান্তিনো ফিফার সভাপতির দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সুপারিশ প্রয়োজন হয়। পরে সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেট এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসির নামও উঠে এসেছে।
ট্রাম্পের বৈশ্বিক অংশীদারত্ববিষয়ক বিশেষ দূত পাওলো জাম্পাওলি ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তার মতে, ফিফার মতো একটি বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচালনার অভিজ্ঞতা ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের সক্ষমতার প্রমাণ।
নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া বক্তব্যে জাম্পাওলি বলেন, জাতিসংঘে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র থাকলেও ফিফার অধীনে ২০০টির বেশি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। তার মতে, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অতীতে দেখিয়েছেন যে তিনি একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে সক্ষম।
এদিকে এই জল্পনার মধ্যেই ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, তিনি আবারও ফিফা সভাপতির পদে নির্বাচন করবেন। আগামী বছরের মার্চে সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ফিফার কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন